মিরপুরে পোশাকশ্রমিক ও পুলিশের সংঘর্ষ, পুলিশের গাড়িতে আগুন
রাজধানীর মিরপুরে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে চার থেকে পাঁচজন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। এর আগে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে সড়কে নামেন তৈরি পোশাকশ্রমিকরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার (১ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে দাবি আদায়ে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর অবরোধ করেন। এতে আশপাশের কয়েকটি সংযোগ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সকাল সোয়া ১১টার দিকে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
পুলিশ প্রথমে শ্রমিকদের সড়ক ছেড়ে দিতে অনুরোধ করে। শ্রমিকরা সেই অনুরোধ উপেক্ষা করলে পুলিশ লাঠিপেটা করে এবং কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রথম দফার সংঘর্ষ কিছুটা কমে আসে।
কিন্তু পুলিশের অভিযানের পর শ্রমিকরা মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে মিরপুর-১১-এর দিকে সরে যান। সেখানে বিভিন্ন স্থানে নতুন করে সংঘর্ষ হয়। মিরপুর-১১-এর পূরবী সিনেমা হলের কাছে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুনও দেওয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ার ইসলাম দোলন জানান, আগুন নেভাতে পল্লবী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। তবে এতে কেউ আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে চার থেকে পাঁচজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পাশাপাশি জলকামানও ব্যবহার করে। এদিকে সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৫ থেকে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার হাসান মোহাম্মাদ নাছের রিকাবদার।










