ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাপ্পারাজকে নিয়ে গর্বিত ওমর সানী, জানালেন বন্ধুত্বের গল্প

নিজস্ব সংবাদ :

বাপ্পারাজকে নিয়ে গর্বিত ওমর সানী, জানালেন বন্ধুত্বের গল্প ঢালিউডে দীর্ঘদিনের সহকর্মী ওমর সানী ও বাপ্পারাজ। নব্বইয়ের দশকে একাধিক সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন এই দুই অভিনেতা। পর্দার সেই পরিচয় সময়ের সঙ্গে গড়িয়েছে বন্ধুত্বে। এবার বাপ্পারাজের ব্যক্তিত্ব, সরলতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন ওমর সানী। নিজের প্রজন্মের এই অভিনেতাকে নিয়ে গর্বের কথাও জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি বাপ্পারাজের সঙ্গে তোলা একটি ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেন ওমর সানী। ছবিতে বন্ধুকে ট্যাগ করে তার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার কথা প্রকাশ করেন তিনি। পোস্টে বাপ্পারাজের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা এবং পুরোনো দিনের নানা স্মৃতিও তুলে ধরেন এই অভিনেতা। বাপ্পারাজকে ভালো মানুষ ও বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে ওমর সানী লেখেন, ‘একজন বাপ্পারাজ একজন ভালো মানুষ একজন ভালো বন্ধু এবং দুষ্টু বন্ধু হাসিখুশি বন্ধু। অনেক সিনেমা করেছি একসঙ্গে।’ বাপ্পারাজের পারিবারিক পরিচয় ও অভিনয় দক্ষতার প্রসঙ্গ টেনে তার নিরহংকার মনোভাবের প্রশংসা করেন ওমর সানী। তিনি লেখেন, ‘কোন অহংকার নেই। আমি মাঝেমধ্যে অবাক হতাম উনি নায়ক রাজের সন্তান (নায়ক রাজ্জাক) এবং একজন ভালো আর্টিস্ট, উনি কেন আমাদের সঙ্গে কাজ করবেন কিন্তু দিনশেষে উনি বলতো- কাজটাই হচ্ছে আসল।’ বন্ধুত্বের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বাপ্পারাজের দুষ্টুমির কথাও উল্লেখ করেছেন ওমর সানী। তার ভাষায়, ‘আর এত দুষ্টামি করতেন, এখনো করেন, ওই আমলে যদি এই মোবাইল থাকতো তাহলে দুষ্টামির চরম ভাইরাল হতাম আমি। আমার ও মৌসুমীর একজন ভালো বন্ধু।’ বাপ্পারাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ওমর সানী আরও লেখেন, ‘বাপ্পারাজ ভাই আপনাকে একটা কারণে স্যালুট কোন বদ অভ্যাস আপনার নাই। আপনার কাছে বরঞ্চ আমরা খারাপ। আমার জেনারেশনে আমি বাপ্পারাজকে নিয়ে গর্ব করি দিনশেষে বলি আপনি অনেক দুষ্টু।’ ওমর সানীর এই পোস্টে উঠে এসেছে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের পাশাপাশি বাপ্পারাজের প্রতি তার সম্মান ও মুগ্ধতার কথা। চলচ্চিত্রে একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি হওয়া এই সম্পর্ক যে ব্যক্তিগত জীবনেও অটুট রয়েছে, তা স্পষ্ট তার বক্তব্যে। নব্বইয়ের দশকে ঢালিউডে জনপ্রিয়তা পান ওমর সানী ও বাপ্পারাজ। রোমান্টিক ও অ্যাকশনধর্মী সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে পরিচিতি গড়ে তোলেন ওমর সানী। অন্যদিকে, ব্যর্থ প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের কাছে বিশেষ পরিচিতি পান বাপ্পারাজ। ১৯৯৩ সালে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘প্রেমগীত’ ও ‘হারানো প্রেম’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন তারা। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও একই সিনেমায় দেখা যাবে এই দুই অভিনেতাকে। মোহাম্মদ ইকবাল পরিচালিত ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমায় অভিনয় করছেন ওমর সানী ও বাপ্পারাজ। এতে আরও রয়েছেন নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা আমিন খান, কিংবদন্তি অভিনেত্রী রোজিনা এবং অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।

ঢালিউডে দীর্ঘদিনের সহকর্মী ওমর সানী ও বাপ্পারাজ। নব্বইয়ের দশকে একাধিক সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন এই দুই অভিনেতা। পর্দার সেই পরিচয় সময়ের সঙ্গে গড়িয়েছে বন্ধুত্বে। এবার বাপ্পারাজের ব্যক্তিত্ব, সরলতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন ওমর সানী। নিজের প্রজন্মের এই অভিনেতাকে নিয়ে গর্বের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি বাপ্পারাজের সঙ্গে তোলা একটি ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেন ওমর সানী। ছবিতে বন্ধুকে ট্যাগ করে তার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার কথা প্রকাশ করেন তিনি।

পোস্টে বাপ্পারাজের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা এবং পুরোনো দিনের নানা স্মৃতিও তুলে ধরেন এই অভিনেতা। বাপ্পারাজকে ভালো মানুষ ও বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে ওমর সানী লেখেন, ‘একজন বাপ্পারাজ একজন ভালো মানুষ একজন ভালো বন্ধু এবং দুষ্টু বন্ধু হাসিখুশি বন্ধু। অনেক সিনেমা করেছি একসঙ্গে।’

বাপ্পারাজের পারিবারিক পরিচয় ও অভিনয় দক্ষতার প্রসঙ্গ টেনে তার নিরহংকার মনোভাবের প্রশংসা করেন ওমর সানী। তিনি লেখেন, ‘কোন অহংকার নেই।

আমি মাঝেমধ্যে অবাক হতাম উনি নায়ক রাজের সন্তান (নায়ক রাজ্জাক) এবং একজন ভালো আর্টিস্ট, উনি কেন আমাদের সঙ্গে কাজ করবেন কিন্তু দিনশেষে উনি বলতো- কাজটাই হচ্ছে আসল।’

বন্ধুত্বের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বাপ্পারাজের দুষ্টুমির কথাও উল্লেখ করেছেন ওমর সানী। তার ভাষায়, ‘আর এত দুষ্টামি করতেন, এখনো করেন, ওই আমলে যদি এই মোবাইল থাকতো তাহলে দুষ্টামির চরম ভাইরাল হতাম আমি। আমার ও মৌসুমীর একজন ভালো বন্ধু।’

বাপ্পারাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ওমর সানী আরও লেখেন,

‘বাপ্পারাজ ভাই আপনাকে একটা কারণে স্যালুট কোন বদ অভ্যাস আপনার নাই। আপনার কাছে বরঞ্চ আমরা খারাপ। আমার জেনারেশনে আমি বাপ্পারাজকে নিয়ে গর্ব করি দিনশেষে বলি আপনি অনেক দুষ্টু।’

ওমর সানীর এই পোস্টে উঠে এসেছে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের পাশাপাশি বাপ্পারাজের প্রতি তার সম্মান ও মুগ্ধতার কথা। চলচ্চিত্রে একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি হওয়া এই সম্পর্ক যে ব্যক্তিগত জীবনেও অটুট রয়েছে, তা স্পষ্ট তার বক্তব্যে।

নব্বইয়ের দশকে ঢালিউডে জনপ্রিয়তা পান ওমর সানী ও বাপ্পারাজ। রোমান্টিক ও অ্যাকশনধর্মী সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে পরিচিতি গড়ে তোলেন ওমর সানী।

অন্যদিকে, ব্যর্থ প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের কাছে বিশেষ পরিচিতি পান বাপ্পারাজ। ১৯৯৩ সালে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘প্রেমগীত’ ও ‘হারানো প্রেম’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন তারা।

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও একই সিনেমায় দেখা যাবে এই দুই অভিনেতাকে। মোহাম্মদ ইকবাল পরিচালিত ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমায় অভিনয় করছেন ওমর সানী ও বাপ্পারাজ। এতে আরও রয়েছেন নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা আমিন খান, কিংবদন্তি অভিনেত্রী রোজিনা এবং অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৫:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
৬ বার পড়া হয়েছে

বাপ্পারাজকে নিয়ে গর্বিত ওমর সানী, জানালেন বন্ধুত্বের গল্প

আপডেট সময় ০৫:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

ঢালিউডে দীর্ঘদিনের সহকর্মী ওমর সানী ও বাপ্পারাজ। নব্বইয়ের দশকে একাধিক সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন এই দুই অভিনেতা। পর্দার সেই পরিচয় সময়ের সঙ্গে গড়িয়েছে বন্ধুত্বে। এবার বাপ্পারাজের ব্যক্তিত্ব, সরলতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন ওমর সানী। নিজের প্রজন্মের এই অভিনেতাকে নিয়ে গর্বের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি বাপ্পারাজের সঙ্গে তোলা একটি ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেন ওমর সানী। ছবিতে বন্ধুকে ট্যাগ করে তার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার কথা প্রকাশ করেন তিনি।

পোস্টে বাপ্পারাজের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা এবং পুরোনো দিনের নানা স্মৃতিও তুলে ধরেন এই অভিনেতা। বাপ্পারাজকে ভালো মানুষ ও বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করে ওমর সানী লেখেন, ‘একজন বাপ্পারাজ একজন ভালো মানুষ একজন ভালো বন্ধু এবং দুষ্টু বন্ধু হাসিখুশি বন্ধু। অনেক সিনেমা করেছি একসঙ্গে।’

বাপ্পারাজের পারিবারিক পরিচয় ও অভিনয় দক্ষতার প্রসঙ্গ টেনে তার নিরহংকার মনোভাবের প্রশংসা করেন ওমর সানী। তিনি লেখেন, ‘কোন অহংকার নেই।

আমি মাঝেমধ্যে অবাক হতাম উনি নায়ক রাজের সন্তান (নায়ক রাজ্জাক) এবং একজন ভালো আর্টিস্ট, উনি কেন আমাদের সঙ্গে কাজ করবেন কিন্তু দিনশেষে উনি বলতো- কাজটাই হচ্ছে আসল।’

বন্ধুত্বের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বাপ্পারাজের দুষ্টুমির কথাও উল্লেখ করেছেন ওমর সানী। তার ভাষায়, ‘আর এত দুষ্টামি করতেন, এখনো করেন, ওই আমলে যদি এই মোবাইল থাকতো তাহলে দুষ্টামির চরম ভাইরাল হতাম আমি। আমার ও মৌসুমীর একজন ভালো বন্ধু।’

বাপ্পারাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ওমর সানী আরও লেখেন,

‘বাপ্পারাজ ভাই আপনাকে একটা কারণে স্যালুট কোন বদ অভ্যাস আপনার নাই। আপনার কাছে বরঞ্চ আমরা খারাপ। আমার জেনারেশনে আমি বাপ্পারাজকে নিয়ে গর্ব করি দিনশেষে বলি আপনি অনেক দুষ্টু।’

ওমর সানীর এই পোস্টে উঠে এসেছে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের পাশাপাশি বাপ্পারাজের প্রতি তার সম্মান ও মুগ্ধতার কথা। চলচ্চিত্রে একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তৈরি হওয়া এই সম্পর্ক যে ব্যক্তিগত জীবনেও অটুট রয়েছে, তা স্পষ্ট তার বক্তব্যে।

নব্বইয়ের দশকে ঢালিউডে জনপ্রিয়তা পান ওমর সানী ও বাপ্পারাজ। রোমান্টিক ও অ্যাকশনধর্মী সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে পরিচিতি গড়ে তোলেন ওমর সানী।

অন্যদিকে, ব্যর্থ প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের কাছে বিশেষ পরিচিতি পান বাপ্পারাজ। ১৯৯৩ সালে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘প্রেমগীত’ ও ‘হারানো প্রেম’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন তারা।

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও একই সিনেমায় দেখা যাবে এই দুই অভিনেতাকে। মোহাম্মদ ইকবাল পরিচালিত ‘গুলশানের চামেলি’ সিনেমায় অভিনয় করছেন ওমর সানী ও বাপ্পারাজ। এতে আরও রয়েছেন নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় অভিনেতা আমিন খান, কিংবদন্তি অভিনেত্রী রোজিনা এবং অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।