ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এবার সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর

নিজস্ব সংবাদ :

এবার সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর

চলতি অর্থবছরেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল বা জিপিএফে ১১ থেকে ১৩ শতাংশ হারে মুনাফা দেবে সরকার। প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা অর্থের পরিমাণ অনুযায়ী তিন স্তরে এ মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) চলতি অর্থবছরের জন্য এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রভিডেন্ট ফান্ডের প্রারম্ভিক স্থিতি বা চলতি অর্থবছরে জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে মুনাফার হার হবে ১৩ শতাংশ। ১৫ লাখ টাকার বেশি থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি হলে ১১ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যাবে। গত অর্থবছরেও একই হারে মুনাফা দেওয়া হয়েছিল।

জিপিএফের আদলে পরিচালিত প্রদেয় ভবিষ্যৎ তহবিল বা সিপিএফের আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের বিধি অনুযায়ী মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের সর্বনিম্ন ৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা রাখতে পারেন। অন্যদিকে, সিপিএফভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা মূল বেতনের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদা জমা দিতে পারেন।

জিপিএফ ও সিপিএফ—উভয় ক্ষেত্রেই কর্মীর জমার সঙ্গে প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত অংশ প্রদান করে।

সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত মূল বেতনের ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ অর্থ এ তহবিলে দেয়। জমা করা মোট অর্থের ওপর চক্রবৃদ্ধি হারে মুনাফা পান অংশগ্রহণকারীরা।

বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য গঠিত প্রভিডেন্ট ফান্ডই জিপিএফ। আর যেসব প্রতিষ্ঠান বা সরকারি চাকরিতে পেনশন ব্যবস্থা নেই, সেখানে কর্মীদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তার জন্য সিপিএফসহ এ ধরনের তহবিল চালু রয়েছে। চাকরি শেষ হওয়ার পর বা বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে কর্মীকে নিজের ও প্রতিষ্ঠানের জমা অর্থের সঙ্গে অর্জিত মুনাফা একত্রে পরিশোধ করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৩:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ বার পড়া হয়েছে

এবার সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর

আপডেট সময় ০৩:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চলতি অর্থবছরেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল বা জিপিএফে ১১ থেকে ১৩ শতাংশ হারে মুনাফা দেবে সরকার। প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা অর্থের পরিমাণ অনুযায়ী তিন স্তরে এ মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) চলতি অর্থবছরের জন্য এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রভিডেন্ট ফান্ডের প্রারম্ভিক স্থিতি বা চলতি অর্থবছরে জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে মুনাফার হার হবে ১৩ শতাংশ। ১৫ লাখ টাকার বেশি থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি হলে ১১ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যাবে। গত অর্থবছরেও একই হারে মুনাফা দেওয়া হয়েছিল।

জিপিএফের আদলে পরিচালিত প্রদেয় ভবিষ্যৎ তহবিল বা সিপিএফের আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের বিধি অনুযায়ী মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের সর্বনিম্ন ৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা রাখতে পারেন। অন্যদিকে, সিপিএফভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা মূল বেতনের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদা জমা দিতে পারেন।

জিপিএফ ও সিপিএফ—উভয় ক্ষেত্রেই কর্মীর জমার সঙ্গে প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত অংশ প্রদান করে।

সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত মূল বেতনের ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ অর্থ এ তহবিলে দেয়। জমা করা মোট অর্থের ওপর চক্রবৃদ্ধি হারে মুনাফা পান অংশগ্রহণকারীরা।

বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য গঠিত প্রভিডেন্ট ফান্ডই জিপিএফ। আর যেসব প্রতিষ্ঠান বা সরকারি চাকরিতে পেনশন ব্যবস্থা নেই, সেখানে কর্মীদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তার জন্য সিপিএফসহ এ ধরনের তহবিল চালু রয়েছে। চাকরি শেষ হওয়ার পর বা বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে কর্মীকে নিজের ও প্রতিষ্ঠানের জমা অর্থের সঙ্গে অর্জিত মুনাফা একত্রে পরিশোধ করা হয়।