‘চার দিনের রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল, প্রথম স্ত্রীর একদিন’
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়াম খাতুনকে (১৯) আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগমেরও রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
গাজী নজরুলের চার দিনের এবং মাকছুদার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এহসানুল ইসলাম। আজ সোমবার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন আদালত।
তাদের সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুজ্জোহা সরকার। দুপুর দুইটার পর পুলিশের একটি গাড়িতে করে আসামিদের আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। পরে তাঁদের আদালত তোলা হয়।
এ ঘটনায় রোববার গভীর রাতে নিহত মরিয়ামের বাবা মাছুম বিল্লাহ বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম ও মরিয়ামের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে রাতে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, ৫ নম্বর ভবনের দোতলায় ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে এমপি নজরুল ইসলাম সস্ত্রীক বসবাস করেন। রোববার সন্ধ্যায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কক্ষের জানালা দিয়ে মরিয়ামের লাশ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত দেখা যায়। ন্যাম ভবনের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা বিষয়টি শেরেবাংলা নগর থানার ওসিকে জানান। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আলামত সংগ্রহের জন্য পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিটকে ডাকা হয়। তারা আসার আগ পর্যন্ত ওই কক্ষে প্রবেশ করেনি থানা পুলিশ। রাত ১০টার দিকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ন্যাম ভবনের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তার কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ সেখানে যায়। এরপর ঝুলন্ত অবস্থায় এমপির দ্বিতীয় স্ত্রীর লাশ পাওয়া গেছে।




















