ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণভোটে নাকচ হয়েছে নোট অব ডিসেন্ট: ১১ দলীয় ঐক্যজোট

নিজস্ব সংবাদ :

বিএনপি স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের কথা বললেও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য তা প্রত্যাখান করেছে। জোটটি বলছে, গণভোটে নাকচ হয়েছে নোট অব ডিসেন্ট। জোটটি গণভোটে অনুমোদিত জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার চেয়েছে।

আজ রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই দিনে জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী ২৬ দলকে বৈঠকে ডাকে। জামায়াত জোটের সাতটিসহ মোট ১০টি দল এই বৈঠক বর্জন করে।

‘বিএনপি কর্তৃক গণভোটের গণরায় উপেক্ষা করে সংস্কারের পরিবর্তে সংসদে গঠিত সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির কার্যক্রম প্রত্যাখ্যান ও ১১–দলীয় ঐক্যের বক্তব্য তুলে ধরার লক্ষ্যে’ —এ সংবাদ সম্মেলন জোট। এতে গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটে অনুমোদিত প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে সংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়নের বর্তমান উদ্যোগ ১১–দলীয় ঐক্য প্রত্যাখ্যান করেছে।

জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, নোট অব ডিসেন্ট গণভোটের সামনে আর প্রযোজ্য নয়। গণভোটে নোট অব ডিসেন্ট নাকচ হয়ে গেছে। ১১ দল মনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটে প্রকাশিত জনগণের রায়—এই তিনটির প্রতি সম্মান দেখানোই বর্তমান সাংবিধানিক মতপার্থক্য নিরসনের গণতান্ত্রিক পথ।

জুলাই সনদ কীভাবে বাস্তবায়ন হবে– তা নির্ধারণে গত ১৩ নভেম্বর আদেশ জারি করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এই আদেশের ওপর গণভোট হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। এই আদেশে বলা হয়েছিল, গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হলে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ ১৮০ দিনের মধ্যে গণভোটের ফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করবে।

আদেশে বলা হয়েছিল, হ্যাঁ জয়ী হলে জুলাই সনদে বর্ণিত উপায়ে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতাসহ ভোটের অনুপাতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন, সিএজি, পিএসসি, দুদকসহ সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিতে হবে। এগুলো বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক।

গণভোটে ৬৮ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটার হ্যাঁ ভোট দেন। জামায়াত জোট ও ইসলামী আন্দোলনের ৭৮ এমপি শপথ নেন সংবিধান সংস্কার পরিষদের। তবে বিএনপি জোট এবং স্বতন্ত্র এমপিরা শপথ নেননি।

সরকার গঠনের পর বিএনপি জানায়, জুলাই আদেশ ছিল অবৈধ। সংবিধান সংশোধনে ১৭ সদস্যের কমিটি করেছে। এতে জামায়াত জোটকে পাঁচজন সদস্য দেওয়ার প্রস্তাব করেছিল। তবে তা প্রত্যাখান করেছে সংস্কার চাওয়া জামায়াত। গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের সময় এখনো শেষ হয়ে যায়নি। বিএনপি শপথ না নেওয়া বর্তমান সাংবিধানিক সংকটের মূল কারণ।

সংসদ সংবিধানের মূল কাঠামো পরিবর্তন করতে পারে না বলে মনে করেন জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি বলেন, গণভোটে জনগণ সংবিধান সংস্কার পরিষদকে গাঠনিক ক্ষমতা দিয়েছে। সংসদের এই ক্ষমতা নেই। জাতীয় সংসদ সংবিধান কর্তৃক সৃষ্ট প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে সংবিধানের মৌলিক পুনর্বিন্যাসের প্রশ্নে জনগণই চূড়ান্ত সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস।

গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিশেষ কমিটির মাধ্যমে বিষয়টিকে সীমিত পরিসরের সাধারণ সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ জাতীয় সংসদকে সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা দিলেও তা সীমাহীন নয়। সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন রায় অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন সাধারণ সংশোধনী–ক্ষমতার মাধ্যমে করা যায় না। সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করা গেলেও জনগণের গাঠনিক ক্ষমতা ছাড়া সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের এখতিয়ার নেই।

পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম, ত্রয়োদশ, ষোড়শসহ বিভিন্ন সংশোধনী সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাতিল হওয়ার দৃষ্টান্ত টানেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা দ্বারা সংশোধনী আনা হয়েছে কি না, সেটি মৌলিক প্রশ্ন নয়।

গোলাম পরওয়ার বলেছেন, একই তপশিলে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হয়েছে। জনগণ শুধু বিচ্ছিন্ন কিছু সংস্কারের পক্ষে মত দেয়নি; বরং সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছে।

জুলাই আদেশকে সাংবিধানিক বলে আখ্যা দেন জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি বলেন, ১৫২ অনুচ্ছেদে আইনের সংজ্ঞায় আদেশ রয়েছে, যা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আইনি ভিত্তি।

১১–দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে ছয়টি দাবি জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার। এগুলো হলো- গণভোটের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটে অনুমোদিত সাংবিধানিক সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিষদ কার্যকর করা।

সরকারকে একতরফাভাবে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো–সংশ্লিষ্ট পরিবর্তন আনার উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক সংস্কারকে জনগণের প্রত্যাশা, গণভোটের রায় ও রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে বলেন তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১০:২৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৭ বার পড়া হয়েছে

গণভোটে নাকচ হয়েছে নোট অব ডিসেন্ট: ১১ দলীয় ঐক্যজোট

আপডেট সময় ১০:২৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিএনপি স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদের নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের কথা বললেও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য তা প্রত্যাখান করেছে। জোটটি বলছে, গণভোটে নাকচ হয়েছে নোট অব ডিসেন্ট। জোটটি গণভোটে অনুমোদিত জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার চেয়েছে।

আজ রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই দিনে জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী ২৬ দলকে বৈঠকে ডাকে। জামায়াত জোটের সাতটিসহ মোট ১০টি দল এই বৈঠক বর্জন করে।

‘বিএনপি কর্তৃক গণভোটের গণরায় উপেক্ষা করে সংস্কারের পরিবর্তে সংসদে গঠিত সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটির কার্যক্রম প্রত্যাখ্যান ও ১১–দলীয় ঐক্যের বক্তব্য তুলে ধরার লক্ষ্যে’ —এ সংবাদ সম্মেলন জোট। এতে গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটে অনুমোদিত প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে সংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়নের বর্তমান উদ্যোগ ১১–দলীয় ঐক্য প্রত্যাখ্যান করেছে।

জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, নোট অব ডিসেন্ট গণভোটের সামনে আর প্রযোজ্য নয়। গণভোটে নোট অব ডিসেন্ট নাকচ হয়ে গেছে। ১১ দল মনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটে প্রকাশিত জনগণের রায়—এই তিনটির প্রতি সম্মান দেখানোই বর্তমান সাংবিধানিক মতপার্থক্য নিরসনের গণতান্ত্রিক পথ।

জুলাই সনদ কীভাবে বাস্তবায়ন হবে– তা নির্ধারণে গত ১৩ নভেম্বর আদেশ জারি করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এই আদেশের ওপর গণভোট হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। এই আদেশে বলা হয়েছিল, গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হলে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা একই সঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ ১৮০ দিনের মধ্যে গণভোটের ফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করবে।

আদেশে বলা হয়েছিল, হ্যাঁ জয়ী হলে জুলাই সনদে বর্ণিত উপায়ে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতাসহ ভোটের অনুপাতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন, সিএজি, পিএসসি, দুদকসহ সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিতে হবে। এগুলো বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক।

গণভোটে ৬৮ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটার হ্যাঁ ভোট দেন। জামায়াত জোট ও ইসলামী আন্দোলনের ৭৮ এমপি শপথ নেন সংবিধান সংস্কার পরিষদের। তবে বিএনপি জোট এবং স্বতন্ত্র এমপিরা শপথ নেননি।

সরকার গঠনের পর বিএনপি জানায়, জুলাই আদেশ ছিল অবৈধ। সংবিধান সংশোধনে ১৭ সদস্যের কমিটি করেছে। এতে জামায়াত জোটকে পাঁচজন সদস্য দেওয়ার প্রস্তাব করেছিল। তবে তা প্রত্যাখান করেছে সংস্কার চাওয়া জামায়াত। গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের সময় এখনো শেষ হয়ে যায়নি। বিএনপি শপথ না নেওয়া বর্তমান সাংবিধানিক সংকটের মূল কারণ।

সংসদ সংবিধানের মূল কাঠামো পরিবর্তন করতে পারে না বলে মনে করেন জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি বলেন, গণভোটে জনগণ সংবিধান সংস্কার পরিষদকে গাঠনিক ক্ষমতা দিয়েছে। সংসদের এই ক্ষমতা নেই। জাতীয় সংসদ সংবিধান কর্তৃক সৃষ্ট প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে সংবিধানের মৌলিক পুনর্বিন্যাসের প্রশ্নে জনগণই চূড়ান্ত সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস।

গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিশেষ কমিটির মাধ্যমে বিষয়টিকে সীমিত পরিসরের সাধারণ সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ জাতীয় সংসদকে সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা দিলেও তা সীমাহীন নয়। সর্বোচ্চ আদালতের বিভিন্ন রায় অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন সাধারণ সংশোধনী–ক্ষমতার মাধ্যমে করা যায় না। সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করা গেলেও জনগণের গাঠনিক ক্ষমতা ছাড়া সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের এখতিয়ার নেই।

পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম, ত্রয়োদশ, ষোড়শসহ বিভিন্ন সংশোধনী সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাতিল হওয়ার দৃষ্টান্ত টানেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা দ্বারা সংশোধনী আনা হয়েছে কি না, সেটি মৌলিক প্রশ্ন নয়।

গোলাম পরওয়ার বলেছেন, একই তপশিলে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হয়েছে। জনগণ শুধু বিচ্ছিন্ন কিছু সংস্কারের পক্ষে মত দেয়নি; বরং সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছে।

জুলাই আদেশকে সাংবিধানিক বলে আখ্যা দেন জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি বলেন, ১৫২ অনুচ্ছেদে আইনের সংজ্ঞায় আদেশ রয়েছে, যা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আইনি ভিত্তি।

১১–দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে ছয়টি দাবি জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার। এগুলো হলো- গণভোটের রায় যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটে অনুমোদিত সাংবিধানিক সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিষদ কার্যকর করা।

সরকারকে একতরফাভাবে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো–সংশ্লিষ্ট পরিবর্তন আনার উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক সংস্কারকে জনগণের প্রত্যাশা, গণভোটের রায় ও রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে বলেন তিনি।