ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলতি মাসের ২০ দিনে ডেঙ্গুতে ৮৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৯৩

নিজস্ব সংবাদ :

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে। আজ রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে শুধু সেপ্টেম্বরের ২০ দিনে ডেঙ্গুতে ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৫৯৩ জন। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৪ জনে। আর এ বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬১ হাজার ৯৭২।

আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, আগের ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৮৩ জন ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে)। এরপর খুলনা বিভাগে ২৯০, চট্টগ্রামে ১৬৫, বরিশালে ১৫৯, রাজশাহীতে ১৩৭, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭১ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩২ জন ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ময়মনসিংহে ৮২, রংপুরে ৬৫ এবং সিলেটে ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, একই সময়ে এক হাজার ৫৮৭ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৫৭ হাজার ৬১০ জন।

ডেঙ্গুর রোগী বেড়ে গেলে পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা ও বড় শহরগুলোতে মোবাইল হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনীকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আজ রোববার সচিবালয়ে হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হামের পাশাপাশি ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায়ও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। চার মাস আগে থেকেই জেলা সদর, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে। মশা নিয়ন্ত্রণে স্প্রে ও ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু চিকিৎসার জন্য উপজেলা পর্যায়েই স্যালাইন ও জ্বরের ওষুধ দেওয়া এবং রোগীর শরীরে প্লাজমা লিকেজ হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। কিন্তু অনেক রোগী সরাসরি উচ্চতর বা তৃতীয় স্তরের হাসপাতালে চলে আসছেন। এতে বড় হাসপাতালগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।

রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেলে পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা ও বড় শহরগুলোতে মোবাইল হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনীকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্যালাইন ও ওষুধের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১১:০৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ বার পড়া হয়েছে

চলতি মাসের ২০ দিনে ডেঙ্গুতে ৮৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৯৩

আপডেট সময় ১১:০৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে। আজ রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে শুধু সেপ্টেম্বরের ২০ দিনে ডেঙ্গুতে ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৫৯৩ জন। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮৪ জনে। আর এ বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬১ হাজার ৯৭২।

আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, আগের ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৮৩ জন ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে)। এরপর খুলনা বিভাগে ২৯০, চট্টগ্রামে ১৬৫, বরিশালে ১৫৯, রাজশাহীতে ১৩৭, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭১ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩২ জন ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ময়মনসিংহে ৮২, রংপুরে ৬৫ এবং সিলেটে ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, একই সময়ে এক হাজার ৫৮৭ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৫৭ হাজার ৬১০ জন।

ডেঙ্গুর রোগী বেড়ে গেলে পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা ও বড় শহরগুলোতে মোবাইল হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনীকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আজ রোববার সচিবালয়ে হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হামের পাশাপাশি ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায়ও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। চার মাস আগে থেকেই জেলা সদর, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে। মশা নিয়ন্ত্রণে স্প্রে ও ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু চিকিৎসার জন্য উপজেলা পর্যায়েই স্যালাইন ও জ্বরের ওষুধ দেওয়া এবং রোগীর শরীরে প্লাজমা লিকেজ হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। কিন্তু অনেক রোগী সরাসরি উচ্চতর বা তৃতীয় স্তরের হাসপাতালে চলে আসছেন। এতে বড় হাসপাতালগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।

রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেলে পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা ও বড় শহরগুলোতে মোবাইল হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনীকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্যালাইন ও ওষুধের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।