ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :

সৌদির বিমানঘাঁটি ও তেল স্থাপনায় হামলা হুথিদের

নিজস্ব সংবাদ :

সৌদির বিমানঘাঁটি ও তেল স্থাপনায় হামলা হুথিদের

সৌদি আরবের বন্দরনগরী ইয়ানবুর তেল স্থাপনা এবং খামিস মুসাইত বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। চলতি সপ্তাহে সৌদি ব্যাপক মিসাইল হামলা চালানোর জবাব হিসেবে এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের বিদ্রোহীরা।

আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইরান সমর্থিত এ সশস্ত্র গোষ্ঠী বলেছে, “কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক মিসাইলের প্রথম হামলা টার্গেট করেছে ইয়ানবুর আরামকোর অবকাঠামোকে। মহান আল্লাহকে ধন্যবাদ, এই হামলা ছিল নিখুঁত এবং সরাসরি। হামলার পর আরামকোর অবকাঠামোতে বড় আগুন ধরে যায়। যার প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।”

“দ্বিতীয় হামলায় টার্গেট করা হয়েছে খামিস মুসাইত বিমানঘাঁটিকে। এখানেও ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছে। মহান আল্লাহকে ধন্যবাদ, এই হামলাও ছিল নিখুঁত।”

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জাহাজে হামলা হবে না, সৌদির ক্ষেত্রে ছাড় নেই

গত সপ্তাহে রক্তক্ষয়ী অভিযান চালিয়ে ইয়েমেনের লোহিত সাগরের বন্দরনগরী মোখা দখল করে হুথি বিদ্রোহীরা। তারা মোখার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর শঙ্কা তৈরি হয় সাগরটির গুরুত্বপূর্ণ বাব এল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল হুমকির মুখে পড়বে। আর এরপরই ওমানের রাজধানী মাস্কাটে হুথি প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা।

বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি সূত্রের বরাতে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

এখনো প্রকাশ্যে ঘোষণা না দেওয়া বৈঠকটি হয়েছে মাস্কাটে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে। এতে সহায়তা করেছে মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমান।

এএফপি জানিয়েছে, বৈঠকটি হয় গত রোববার। আর এতে মার্কিনিদের হুথিরা জানিয়েছে, লোহিত সাগরে চলাচল করা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো জাহাজে হামলার পরিকল্পনা তাদের নেই। এছাড়া ইসরায়েলি জাহাজেও হামলা চালানো হবে না। কিন্তু কোনো জাহাজ যদি সৌদি আরবের হয় অথবা সৌদির পণ্য পরিবহনে যুক্ত থাকে তাহলে ওই জাহাজকে ছাড় দেওয়া হবে না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৯:০৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৭ বার পড়া হয়েছে

সৌদির বিমানঘাঁটি ও তেল স্থাপনায় হামলা হুথিদের

আপডেট সময় ০৯:০৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদি আরবের বন্দরনগরী ইয়ানবুর তেল স্থাপনা এবং খামিস মুসাইত বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। চলতি সপ্তাহে সৌদি ব্যাপক মিসাইল হামলা চালানোর জবাব হিসেবে এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের বিদ্রোহীরা।

আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইরান সমর্থিত এ সশস্ত্র গোষ্ঠী বলেছে, “কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক মিসাইলের প্রথম হামলা টার্গেট করেছে ইয়ানবুর আরামকোর অবকাঠামোকে। মহান আল্লাহকে ধন্যবাদ, এই হামলা ছিল নিখুঁত এবং সরাসরি। হামলার পর আরামকোর অবকাঠামোতে বড় আগুন ধরে যায়। যার প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।”

“দ্বিতীয় হামলায় টার্গেট করা হয়েছে খামিস মুসাইত বিমানঘাঁটিকে। এখানেও ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছে। মহান আল্লাহকে ধন্যবাদ, এই হামলাও ছিল নিখুঁত।”

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জাহাজে হামলা হবে না, সৌদির ক্ষেত্রে ছাড় নেই

গত সপ্তাহে রক্তক্ষয়ী অভিযান চালিয়ে ইয়েমেনের লোহিত সাগরের বন্দরনগরী মোখা দখল করে হুথি বিদ্রোহীরা। তারা মোখার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর শঙ্কা তৈরি হয় সাগরটির গুরুত্বপূর্ণ বাব এল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল হুমকির মুখে পড়বে। আর এরপরই ওমানের রাজধানী মাস্কাটে হুথি প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা।

বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি সূত্রের বরাতে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

এখনো প্রকাশ্যে ঘোষণা না দেওয়া বৈঠকটি হয়েছে মাস্কাটে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে। এতে সহায়তা করেছে মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমান।

এএফপি জানিয়েছে, বৈঠকটি হয় গত রোববার। আর এতে মার্কিনিদের হুথিরা জানিয়েছে, লোহিত সাগরে চলাচল করা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো জাহাজে হামলার পরিকল্পনা তাদের নেই। এছাড়া ইসরায়েলি জাহাজেও হামলা চালানো হবে না। কিন্তু কোনো জাহাজ যদি সৌদি আরবের হয় অথবা সৌদির পণ্য পরিবহনে যুক্ত থাকে তাহলে ওই জাহাজকে ছাড় দেওয়া হবে না।