ঢাকা ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি সংকটে সরকার দায়ী নয়, এটি প্রাকৃতিক : রিজভী

নিজস্ব সংবাদ :

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, দেশে জ্বালানির যে সংকট হয়েছে, তার জন্য সরকার বা কোনো ব্যক্তি দায়ী নয়। এটা এক ধরনের প্রাকৃতিক সংকট।

যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। কিন্তু এই সংকট সমাধানে সরকারের আন্তরিকতার কোনো ত্রুটি ছিল না।
রবিবার (২৩ আগস্ট) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা ও মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ‘বর্তমানে অনেক সংকটের মধ্য দিয়েও সরকার সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের প্রতি দেওয়া ওয়াদা সুচারুভাবে বাস্তবায়নে নিরন্তর-নিরলসভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এই প্রচেষ্টা দৃশ্যমান। কিছু কিছু সংকট হয়েছে বিভিন্ন কারণে। সেটার জন্য সরকার দায়ী নয়, এটাকে আমি বলব এক ধরনের প্রাকৃতিক সংকট। যুদ্ধের (মধ্যপ্রাচ্যে) কারণে জ্বালানি সংকট হয়েছে এবং আমাদের টার্মিনাল ত্রুটিযুক্ত হয়ে পড়ে।

সেই কারণে গ্যাসের চাপ কমে গিয়েছিল, বিভিন্ন এলাকায় কলকারখানা বন্ধ থেকেছে এবং বাড়িতে-বাড়িতে চুলা জ্বালানোর ক্ষেত্রেও সংকট হয়েছে। ইতিমধ্যে ভাসমান যে টার্মিনাল, সেটার ত্রুটি সম্পূর্ণরূপে ঠিক করা হয়েছে। এলএনজি ভর্তি কার্গো ইতিমধ্যে এসে পৌঁছেছে এবং সরবরাহ চলছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, লোডশেডিংও অনেক কমে গেছে।’
তিনি সরকারের প্রশংসা করে বলেন, ‘একটি সরকার আন্তরিকতা থাকলে এবং জনকল্যাণে মনোনিবেশ করলে তারা যে সফল হয়, সেটি তারেক রহমানের নতুন সরকার প্রমাণ করেছে।

সেটি দেখিয়ে দিয়েছেন। সংকট সমাধানে তার আন্তরিকতার কোনো ত্রুটি ছিল না। জ্বালানি সংকট যেটি হয়েছিল, তা যে সরকারের কারণে নয়, সেটি দেশবাসী দেখেছে। এর মধ্যে যে চক্রান্ত নেই, তা না। চক্রান্ত আছে, ষড়যন্ত্র আছে। কিন্তু সেগুলোকে আইডেন্টিফাই করে সেই চক্রান্তগুলোকে প্রতিহত করে এই সরকার জনকল্যাণে সামাজিক সুরক্ষা এবং অপকাঠামোগত যে উন্নয়নের ধারা, সেটি অব্যাহত রেখেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকার যে কাজগুলো করছে, তার জবাবদিহি থাকবে। সেটি পার্লামেন্টে হতে পারে, সেটি নেতাকর্মীদের মধ্যে, সরকার, মন্ত্রীরা সেটার জবাবদিহি করবেন। সরকার ইতিমধ্যে জবাবদিহি করছে।’
বিএনপির এই ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব দলের সাংগঠনিক বিষয়ে বলেন, ‘আমার দায়িত্ব সংগঠনকে মজবুত করার ক্ষেত্রে নেতাকর্মীদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বৃদ্ধি করা। তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত সংগঠনের যেসব ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকবে বা সৃষ্টি হবে সেগুলোকে কিভাবে মেরামত করা যায়, এ ক্ষেত্রে দলের চেয়ারম্যানের যে নির্দেশনা দেবেন, সেটি সাংগঠনিক স্তরে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বাস্তবায়ন করব। এটাই হচ্ছে আমার মূল লক্ষ্য। জনগণের কাছে দায়িত্বশীল একটি রাজনৈতিক দল বিএনপি।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৫:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
৭ বার পড়া হয়েছে

জ্বালানি সংকটে সরকার দায়ী নয়, এটি প্রাকৃতিক : রিজভী

আপডেট সময় ০৫:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, দেশে জ্বালানির যে সংকট হয়েছে, তার জন্য সরকার বা কোনো ব্যক্তি দায়ী নয়। এটা এক ধরনের প্রাকৃতিক সংকট।

যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। কিন্তু এই সংকট সমাধানে সরকারের আন্তরিকতার কোনো ত্রুটি ছিল না।
রবিবার (২৩ আগস্ট) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা ও মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ‘বর্তমানে অনেক সংকটের মধ্য দিয়েও সরকার সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের প্রতি দেওয়া ওয়াদা সুচারুভাবে বাস্তবায়নে নিরন্তর-নিরলসভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এই প্রচেষ্টা দৃশ্যমান। কিছু কিছু সংকট হয়েছে বিভিন্ন কারণে। সেটার জন্য সরকার দায়ী নয়, এটাকে আমি বলব এক ধরনের প্রাকৃতিক সংকট। যুদ্ধের (মধ্যপ্রাচ্যে) কারণে জ্বালানি সংকট হয়েছে এবং আমাদের টার্মিনাল ত্রুটিযুক্ত হয়ে পড়ে।

সেই কারণে গ্যাসের চাপ কমে গিয়েছিল, বিভিন্ন এলাকায় কলকারখানা বন্ধ থেকেছে এবং বাড়িতে-বাড়িতে চুলা জ্বালানোর ক্ষেত্রেও সংকট হয়েছে। ইতিমধ্যে ভাসমান যে টার্মিনাল, সেটার ত্রুটি সম্পূর্ণরূপে ঠিক করা হয়েছে। এলএনজি ভর্তি কার্গো ইতিমধ্যে এসে পৌঁছেছে এবং সরবরাহ চলছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, লোডশেডিংও অনেক কমে গেছে।’
তিনি সরকারের প্রশংসা করে বলেন, ‘একটি সরকার আন্তরিকতা থাকলে এবং জনকল্যাণে মনোনিবেশ করলে তারা যে সফল হয়, সেটি তারেক রহমানের নতুন সরকার প্রমাণ করেছে।

সেটি দেখিয়ে দিয়েছেন। সংকট সমাধানে তার আন্তরিকতার কোনো ত্রুটি ছিল না। জ্বালানি সংকট যেটি হয়েছিল, তা যে সরকারের কারণে নয়, সেটি দেশবাসী দেখেছে। এর মধ্যে যে চক্রান্ত নেই, তা না। চক্রান্ত আছে, ষড়যন্ত্র আছে। কিন্তু সেগুলোকে আইডেন্টিফাই করে সেই চক্রান্তগুলোকে প্রতিহত করে এই সরকার জনকল্যাণে সামাজিক সুরক্ষা এবং অপকাঠামোগত যে উন্নয়নের ধারা, সেটি অব্যাহত রেখেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকার যে কাজগুলো করছে, তার জবাবদিহি থাকবে। সেটি পার্লামেন্টে হতে পারে, সেটি নেতাকর্মীদের মধ্যে, সরকার, মন্ত্রীরা সেটার জবাবদিহি করবেন। সরকার ইতিমধ্যে জবাবদিহি করছে।’
বিএনপির এই ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব দলের সাংগঠনিক বিষয়ে বলেন, ‘আমার দায়িত্ব সংগঠনকে মজবুত করার ক্ষেত্রে নেতাকর্মীদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বৃদ্ধি করা। তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত সংগঠনের যেসব ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকবে বা সৃষ্টি হবে সেগুলোকে কিভাবে মেরামত করা যায়, এ ক্ষেত্রে দলের চেয়ারম্যানের যে নির্দেশনা দেবেন, সেটি সাংগঠনিক স্তরে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বাস্তবায়ন করব। এটাই হচ্ছে আমার মূল লক্ষ্য। জনগণের কাছে দায়িত্বশীল একটি রাজনৈতিক দল বিএনপি।’