ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রার্থনা করি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নতি না হোক: আসামের মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ :

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি চান না যে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি ঘটুক এবং এ জন্য নিয়মিত ইশ্বরের কাছে প্রার্থনাও করেন তিনি।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, ‘আমি প্রতিদিন সকালে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, ইউনুসের সময় যেমন পরিস্থিতি ছিল, সেটাই যেন বজায় থাকে দুই দেশের সম্পর্ক যেন আর ভালো না হয়।’

ভারতের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে সীমান্তে কথিত ‘পুশ-ব্যাক’ প্রক্রিয়া নিয়েও বিস্তারিত বলেন তিনি। তার দাবি, সীমান্তরক্ষী বাহিনী মাঝে মাঝে যাদের ফেরত পাঠানো হবে, তাদের কয়েকদিন থেকে শুরু করে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত নিজেদের হেফাজতে রাখে। এরপর সুযোগ বুঝে, বিশেষ করে সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশি বাহিনীর উপস্থিতি না থাকলে, তাদের জোর করে সীমান্ত পার করে দেওয়া হয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের কার্যক্রম সাধারণত রাতের অন্ধকারে পরিচালিত হয়। যদিও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বর্তমান নাম বিজিবি, তিনি পুরনো নাম ‘বিডিআর’ ব্যবহার করেছেন।

এই সাক্ষাৎকারটি গত ১৫ এপ্রিল সম্প্রচারিত হলেও, এর কিছু অংশ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ভারতের পক্ষ থেকে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। বিশেষ করে, সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানোর ঘোষণার পর এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০২:২৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
১৭ বার পড়া হয়েছে

প্রার্থনা করি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নতি না হোক: আসামের মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:২৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি চান না যে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি ঘটুক এবং এ জন্য নিয়মিত ইশ্বরের কাছে প্রার্থনাও করেন তিনি।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, ‘আমি প্রতিদিন সকালে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, ইউনুসের সময় যেমন পরিস্থিতি ছিল, সেটাই যেন বজায় থাকে দুই দেশের সম্পর্ক যেন আর ভালো না হয়।’

ভারতের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে সীমান্তে কথিত ‘পুশ-ব্যাক’ প্রক্রিয়া নিয়েও বিস্তারিত বলেন তিনি। তার দাবি, সীমান্তরক্ষী বাহিনী মাঝে মাঝে যাদের ফেরত পাঠানো হবে, তাদের কয়েকদিন থেকে শুরু করে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত নিজেদের হেফাজতে রাখে। এরপর সুযোগ বুঝে, বিশেষ করে সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশি বাহিনীর উপস্থিতি না থাকলে, তাদের জোর করে সীমান্ত পার করে দেওয়া হয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের কার্যক্রম সাধারণত রাতের অন্ধকারে পরিচালিত হয়। যদিও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বর্তমান নাম বিজিবি, তিনি পুরনো নাম ‘বিডিআর’ ব্যবহার করেছেন।

এই সাক্ষাৎকারটি গত ১৫ এপ্রিল সম্প্রচারিত হলেও, এর কিছু অংশ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ভারতের পক্ষ থেকে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার ইঙ্গিত মিলছে। বিশেষ করে, সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানোর ঘোষণার পর এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।