ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গুম অধ্যাদেশ আইন অপ্রয়োজনীয় ছিল: চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব সংবাদ :

গুম অধ্যাদেশ আইন অপ্রয়োজনীয় ছিল: চিফ প্রসিকিউটর

গুম অধ্যাদেশ আইন অপ্রয়োজনীয় ছিল বলে উল্লেখ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘গুম অধ্যাদেশের আওতাধীন যে অপরাধটি ছিল, এরই মধ্যে ট্রাইব্যুনাল আইনে সেটি সংবিধিবদ্ধ ছিল। এ আইনে যে গুমের অভিযোগ বিচারের এখতিয়ার ছিল, সেখানে আরেকটি আইন ও ট্রাইব্যুনাল গঠন করার প্রয়োজনীয়তা ছিল বলে আমার কাছে মনে হয়নি। অর্থাৎ, গুমের বিচার ট্রাইব্যুনাল আইনেই সম্ভব।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘গুম অধ্যাদেশ যদি বাতিল হয়ে থাকে এবং ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে ট্যাগ করে দেয়া হয়; তাহলে আইনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কারণ এই গুম অধ্যাদেশটা একটি অপ্রয়োজনীয় আইন ছিলো বলে আমরা কাছে মনে হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে একীভূত হওয়াটা ভালো কাজ হয়েছে।

এটি সঠিক ও যথার্থ হয়েছে বলেও মনে করেন চিফ প্রসিকিউটর।

এদিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের বিচারের পথ প্রশস্ত করতে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস (সংশোধন) বিল ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে আজ। এই সংশোধনীর মাধ্যমে গুমকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। সংসদ অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাশ হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৩:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
১৭ বার পড়া হয়েছে

গুম অধ্যাদেশ আইন অপ্রয়োজনীয় ছিল: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় ০৩:৪৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

গুম অধ্যাদেশ আইন অপ্রয়োজনীয় ছিল বলে উল্লেখ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘গুম অধ্যাদেশের আওতাধীন যে অপরাধটি ছিল, এরই মধ্যে ট্রাইব্যুনাল আইনে সেটি সংবিধিবদ্ধ ছিল। এ আইনে যে গুমের অভিযোগ বিচারের এখতিয়ার ছিল, সেখানে আরেকটি আইন ও ট্রাইব্যুনাল গঠন করার প্রয়োজনীয়তা ছিল বলে আমার কাছে মনে হয়নি। অর্থাৎ, গুমের বিচার ট্রাইব্যুনাল আইনেই সম্ভব।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘গুম অধ্যাদেশ যদি বাতিল হয়ে থাকে এবং ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে ট্যাগ করে দেয়া হয়; তাহলে আইনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কারণ এই গুম অধ্যাদেশটা একটি অপ্রয়োজনীয় আইন ছিলো বলে আমরা কাছে মনে হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে একীভূত হওয়াটা ভালো কাজ হয়েছে।

এটি সঠিক ও যথার্থ হয়েছে বলেও মনে করেন চিফ প্রসিকিউটর।

এদিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের বিচারের পথ প্রশস্ত করতে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস (সংশোধন) বিল ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে আজ। এই সংশোধনীর মাধ্যমে গুমকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। সংসদ অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাশ হয়।