ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের সিলেটে বাসায় মিলল চিকিৎসকের ঝুলন্ত মরদেহ হবিগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেঝে ধসে ৫ শিক্ষার্থী আহত ১৪ পিংক বাসের অর্ধেকেরই আয়ুষ্কাল শেষ ‘কোরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন প্রত্যাহার না করলে করুণ পরিণাম হবে’ যথাসময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফর করবেন: দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটে অচল ১৫ কিলোমিটার ইরান যুদ্ধ দেখিয়েছে যে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা যথেষ্ট নয়: কাতার কীভাবে কর্মসূচি করব বিএনপিকে শেখাতে হবে না: সারজিস আলম সাড়ে ১১ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিল ইতালি

নিজস্ব সংবাদ :

 

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের ওপর ইরানের আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। ইতালির সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার পর ইরাক থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করছে দেশটি। ইরাকি কুর্দিস্তানের এরবিলের ক্যাম্প সিঙ্গারা বিমানঘাঁটিতে রাতভর ড্রোন হামলা হয়। ন্যাটোর প্রায় ৩০০ সেনা এই ঘাঁটিতে অবস্থান করছে।

হামলায় একটি রেস্তোরাঁ এবং দুটি যানবাহন ধ্বংস হয়েছে।

হামলায় কেউ আহত হয়নি, তবে ইরান এই অঞ্চলে আক্রমণ তীব্র করায় ইতালির প্রায় ১০০ সেনাকে রোমে ফিরে নেওয়া হয়েছে। কুর্দি সেনাদের বিদ্রোহের আশঙ্কায় সরকার কুর্দিস্তান অঞ্চলে বোমাবর্ষণ করেছে।

ইরাকি কুর্দিরা সংঘাতের প্রথম দিনগুলোতে তেহরানে স্থল থেকে আক্রমণ শুরু করে বলে জানা গেছে, যদিও পরে কুর্দি নেতারা তা অস্বীকার করেছেন।

ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতে ক্যাম্প সিঙ্গারায় এই আক্রমণ ইচ্ছাকৃত ছিল। কারণ সেখানে ইতালীয় সেনারা কুর্দি পেশমার্গা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল। মার্কিন নেতৃত্বাধীন আইসিস-বিরোধী জোটের অংশ হিসেবে ইতালীয় সেখানে অবস্থান করছিল।

এটি ইচ্ছাকৃত কি না জানতে চাইলে ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইডো ক্রোসেটো বলেন, ‘অবশ্যই হ্যাঁ।

এটি অপারেশন ইনহেরেন্ট রেজলভের মধ্যে একটি ন্যাটো ঘাঁটি, তাই এটি একটি আমেরিকান ঘাঁটিও।’ তিনি হামলার জন্য কে দায়ী তা উল্লেখ করেননি তবে বলেছেন, ঘটনাস্থলে থাকা ১৪১ জন ইতালীয় সেনা বাড়ি ফিরে আসবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই সেই মিশন থেকে ১০২ জনকে ফিরিয়ে এনেছি এবং আমরা প্রায় ৪০ জনকে জর্দানে নিয়েছি।’ ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি বলেছেন, ড্রোনটি কোথা থেকে এসেছে তা স্পষ্ট নয়। এটি সম্ভবত ইরাকে অবস্থিত ইরানপন্থী মিলিশিয়াদের কাজ।

প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বলেছেন, ‘আমি আমাদের সেনাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। তারা হামলার পরে অক্ষত আছেন।’

ঘাঁটির কমান্ডার কর্নেল স্টেফানো পিজোত্তি বলেছেন, ‘সামরিক কর্মীদের বিমান হুমকি সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছিল এবং হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে তারা বাংকারে আশ্রয় নিয়েছিল।’

পিজোত্তি আরো বলেন, ‘আমরা এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত এবং প্রশিক্ষিত। আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বিমান হামলার সতর্কতা শেষ হয়ে গেছে।’

এক বিবৃতিতে কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রেসিডেন্সি বলেছে, ‘ইরাকি সরকারকে কূটনৈতিক দূত এবং জোট বাহিনীকে রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং অবৈধ গোষ্ঠীগুলোকে আর দেশের নিরাপত্তা ও স্বার্থ বিপন্ন করতে দেওয়া উচিত নয়।’

মেলোনি এর আগে বলেছিলেন, ইরানের যুদ্ধে ইতালির যোগদানের কোনো ইচ্ছা তার নেই। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্র হওয়া সত্ত্বেও তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘আন্তর্জাতিক আইনের বাইরে’ কাজ করার অভিযোগ করেছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৩:৩৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
৭৬ বার পড়া হয়েছে

ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নিল ইতালি

আপডেট সময় ০৩:৩৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

 

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের ওপর ইরানের আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। ইতালির সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার পর ইরাক থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করছে দেশটি। ইরাকি কুর্দিস্তানের এরবিলের ক্যাম্প সিঙ্গারা বিমানঘাঁটিতে রাতভর ড্রোন হামলা হয়। ন্যাটোর প্রায় ৩০০ সেনা এই ঘাঁটিতে অবস্থান করছে।

হামলায় একটি রেস্তোরাঁ এবং দুটি যানবাহন ধ্বংস হয়েছে।

হামলায় কেউ আহত হয়নি, তবে ইরান এই অঞ্চলে আক্রমণ তীব্র করায় ইতালির প্রায় ১০০ সেনাকে রোমে ফিরে নেওয়া হয়েছে। কুর্দি সেনাদের বিদ্রোহের আশঙ্কায় সরকার কুর্দিস্তান অঞ্চলে বোমাবর্ষণ করেছে।

ইরাকি কুর্দিরা সংঘাতের প্রথম দিনগুলোতে তেহরানে স্থল থেকে আক্রমণ শুরু করে বলে জানা গেছে, যদিও পরে কুর্দি নেতারা তা অস্বীকার করেছেন।

ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতে ক্যাম্প সিঙ্গারায় এই আক্রমণ ইচ্ছাকৃত ছিল। কারণ সেখানে ইতালীয় সেনারা কুর্দি পেশমার্গা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল। মার্কিন নেতৃত্বাধীন আইসিস-বিরোধী জোটের অংশ হিসেবে ইতালীয় সেখানে অবস্থান করছিল।

এটি ইচ্ছাকৃত কি না জানতে চাইলে ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইডো ক্রোসেটো বলেন, ‘অবশ্যই হ্যাঁ।

এটি অপারেশন ইনহেরেন্ট রেজলভের মধ্যে একটি ন্যাটো ঘাঁটি, তাই এটি একটি আমেরিকান ঘাঁটিও।’ তিনি হামলার জন্য কে দায়ী তা উল্লেখ করেননি তবে বলেছেন, ঘটনাস্থলে থাকা ১৪১ জন ইতালীয় সেনা বাড়ি ফিরে আসবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই সেই মিশন থেকে ১০২ জনকে ফিরিয়ে এনেছি এবং আমরা প্রায় ৪০ জনকে জর্দানে নিয়েছি।’ ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি বলেছেন, ড্রোনটি কোথা থেকে এসেছে তা স্পষ্ট নয়। এটি সম্ভবত ইরাকে অবস্থিত ইরানপন্থী মিলিশিয়াদের কাজ।

প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বলেছেন, ‘আমি আমাদের সেনাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। তারা হামলার পরে অক্ষত আছেন।’

ঘাঁটির কমান্ডার কর্নেল স্টেফানো পিজোত্তি বলেছেন, ‘সামরিক কর্মীদের বিমান হুমকি সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছিল এবং হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে তারা বাংকারে আশ্রয় নিয়েছিল।’

পিজোত্তি আরো বলেন, ‘আমরা এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য প্রস্তুত এবং প্রশিক্ষিত। আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বিমান হামলার সতর্কতা শেষ হয়ে গেছে।’

এক বিবৃতিতে কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রেসিডেন্সি বলেছে, ‘ইরাকি সরকারকে কূটনৈতিক দূত এবং জোট বাহিনীকে রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং অবৈধ গোষ্ঠীগুলোকে আর দেশের নিরাপত্তা ও স্বার্থ বিপন্ন করতে দেওয়া উচিত নয়।’

মেলোনি এর আগে বলেছিলেন, ইরানের যুদ্ধে ইতালির যোগদানের কোনো ইচ্ছা তার নেই। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্র হওয়া সত্ত্বেও তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘আন্তর্জাতিক আইনের বাইরে’ কাজ করার অভিযোগ করেছেন।