ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
পদ পেতে হবে তা নয়, দলের প্রত্যেকেই সরকারের অংশ: রিজভী বাংলাদেশ নারী দলের নতুন প্রধান কোচ ডেভিড হেম্প! পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিয়ে করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী, পাত্রকে ঘিরে গুঞ্জন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ‘আঞ্চলিক পুলিশ’ প্রয়োজন নেই: ইরান শেখ হাসিনা ছিলেন বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী: স্পিকার ‘মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক আগ্রাসন ও একতরফা শুল্ক আরোপের নিন্দায় ১১ দেশ’ নিউইয়র্কে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারীর প্রতারণা, ৭৬ মাসের কারাদণ্ড রাজধানীতে ফুটপাত থেকে ২ মরদেহ উদ্ধার আন্দারমানিক নদীতে ভেসে এলো ৩০ ফুট লম্বা মৃত তিমি

প্রাথমিক শিক্ষায় পুরোনো ধারা বদলে ফেলতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদ :

 

দেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষায় যে পুরোনো ধারা বিদ্যমান, তা বদলে ফেলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও কার্যকর করতে হলে পুরোনো চিন্তা-ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রাথমিক স্তর থেকে পুরোনো ধারা বদলাতে হবে। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী সৃজনশীল ও নতুন ভাবনায় এগোতে হবে আমাদের।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত পরিচিতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব নিয়েই কাজ করছি। শুধু সচিবালয়কে দুর্নীতিমুক্ত রাখলেই হবে না, মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রমেও স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সুশাসনের মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনাই আমাদের লক্ষ্য।

সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার গুণগত মান প্রত্যাশিত পর্যায়ে উন্নীত হয়নি। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, আর তার ভিত্তি হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন ছাড়া সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন যুগ্মসচিব নুরুন্নাহার। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের রানাসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৮:২৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৮২ বার পড়া হয়েছে

প্রাথমিক শিক্ষায় পুরোনো ধারা বদলে ফেলতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:২৫:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

দেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষায় যে পুরোনো ধারা বিদ্যমান, তা বদলে ফেলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী ও কার্যকর করতে হলে পুরোনো চিন্তা-ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। প্রাথমিক স্তর থেকে পুরোনো ধারা বদলাতে হবে। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী সৃজনশীল ও নতুন ভাবনায় এগোতে হবে আমাদের।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত পরিচিতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব নিয়েই কাজ করছি। শুধু সচিবালয়কে দুর্নীতিমুক্ত রাখলেই হবে না, মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রমেও স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। সুশাসনের মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনাই আমাদের লক্ষ্য।

সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার গুণগত মান প্রত্যাশিত পর্যায়ে উন্নীত হয়নি। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, আর তার ভিত্তি হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন ছাড়া সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন যুগ্মসচিব নুরুন্নাহার। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের রানাসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।