ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
বিশ্বকাপ থেকে ইনফান্তিনোর অতিরিক্ত আয়ের খবর ফাঁসে ফিফায় তোলপাড় আইনশৃঙ্খলা সভায় আ.লীগ নেতার উপস্থিতি, ছাত্র-জনতার নিন্দা ফেঞ্চুগঞ্জে জুড়ি নদীতে অবৈধ চায়না জাল, মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত, প্রেসিডেন্ট মকিস মনসুর-সেক্রেটারী আসরাফ মিয়া ‘আমার বউ আমার টেনশন না, আপনাদের টেনশন’: ওমর সানী বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১৮টি কোচের চালান পাঠাল ভারত দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে পতিত সরকারের দোসররা: রিজভী ভারতের গঙ্গা নদীতে নৌকা ডুবে শিশুসহ অন্তত ১৩ জনের ৪০০ পরিবারের দায়িত্ব নিলেন রাশমিকা মান্দানা ফুটপাতে মারধরের ঘটনায় সেই যুবক আটক, পুলিশ প্রত্যাহার

বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১৮টি কোচের চালান পাঠাল ভারত

নিজস্ব সংবাদ :

বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ২০০ ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সরবরাহের চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে ১৮ কোচ পাঠিয়েছে ভারতীয় রেলওয়ে। গত ১২ অক্টোবর ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালায় রেল কোচ ফ্যাক্টরি থেকে কোচগুলো বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হয়।

ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রেল ইন্ডিয়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক সার্ভিসেস লিমিটেডের (রাইটস) সঙ্গে ২০২৪ সালের ২০ মে বাংলাদেশ রেলওয়ের ২০০টি লিংকে-হফম্যান-বুশ (এলএইচবি) ব্রডগেজ কোচ সরবরাহের চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৯ অক্টোবরের মধ্যে এসব কোচ সরবরাহ, পরীক্ষণ ও চালুর কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রথম চালানের ১৮টি কোচের মধ্যে ১১টি নন-এসি শোভন চেয়ার কার, তিনটি এসি চেয়ার কার, দুটি এসি স্লিপার কার এবং দুটি এসি পাওয়ার কার রয়েছে। পাওয়ার কার দুটিতে গার্ডের কক্ষ ও মালপত্র রাখার জায়গা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশের গেদে-দর্শনা আন্তদেশীয় রেল সংযোগ দিয়ে কোচগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। পরে বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছে হস্তান্তরের পর ভারতীয় রেলওয়ের একটি কারিগরি দল সৈয়দপুর ওয়ার্কশপে কোচগুলো চালুর প্রস্তুতি ও পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারে।

ভারতের কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরিতে তৈরি এসব কোচ বাংলাদেশের রেলওয়ের পরিচালনব্যবস্থা ও যাত্রীদের চাহিদা বিবেচনায় বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। এতে রয়েছে একাধিক অবস্থানে হেলানো যায় এমন বিশেষ আসন, স্টেইনলেস স্টিলের হাতল ও পায়ের বিশ্রাম রাখার ব্যবস্থা।

কোচগুলোর কাঠামোতে স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬০ কিলোমিটার গতিতে চলার উপযোগী করে এগুলো নকশা করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, যাত্রীদের নিরাপত্তায় কোচগুলোতে দুর্ঘটনার অভিঘাত মোকাবেলার বিশেষ ব্যবস্থা, অগ্নিনিরাপত্তা সরঞ্জাম ও সিসিটিভি নজরদারির ব্যবস্থা রয়েছে। পরিবেশবান্ধব বায়ো-টয়লেটের পাশাপাশি ইলেকট্রো-নিউম্যাটিক চাপযুক্ত ফ্লাশিং ব্যবস্থাও যুক্ত করা হয়েছে।

রাইটসের সঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি ২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে ৩০টি এবং ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর আরো ১০টি ব্রডগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সরবরাহ করে। পরে ২০১৮ সালের ১ জুন সরবরাহ করা হয় ১২০টি এলএইচবি ব্রডগেজ কোচ। এসব লোকোমোটিভ ও কোচ ভারত সরকারের ঋণসহায়তার আওতায় বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছিল।

সম্প্রতি সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, একটি প্রকল্পের আওতায় ভারত থেকে ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। কোচগুলো দেশে আসার পর নতুন ট্রেনের রুট নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৮:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
১৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১৮টি কোচের চালান পাঠাল ভারত

আপডেট সময় ০৮:২৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ২০০ ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সরবরাহের চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে ১৮ কোচ পাঠিয়েছে ভারতীয় রেলওয়ে। গত ১২ অক্টোবর ভারতের পাঞ্জাবের কাপুরথালায় রেল কোচ ফ্যাক্টরি থেকে কোচগুলো বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হয়।

ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রেল ইন্ডিয়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক সার্ভিসেস লিমিটেডের (রাইটস) সঙ্গে ২০২৪ সালের ২০ মে বাংলাদেশ রেলওয়ের ২০০টি লিংকে-হফম্যান-বুশ (এলএইচবি) ব্রডগেজ কোচ সরবরাহের চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৯ অক্টোবরের মধ্যে এসব কোচ সরবরাহ, পরীক্ষণ ও চালুর কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রথম চালানের ১৮টি কোচের মধ্যে ১১টি নন-এসি শোভন চেয়ার কার, তিনটি এসি চেয়ার কার, দুটি এসি স্লিপার কার এবং দুটি এসি পাওয়ার কার রয়েছে। পাওয়ার কার দুটিতে গার্ডের কক্ষ ও মালপত্র রাখার জায়গা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশের গেদে-দর্শনা আন্তদেশীয় রেল সংযোগ দিয়ে কোচগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। পরে বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছে হস্তান্তরের পর ভারতীয় রেলওয়ের একটি কারিগরি দল সৈয়দপুর ওয়ার্কশপে কোচগুলো চালুর প্রস্তুতি ও পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারে।

ভারতের কাপুরথালার রেল কোচ ফ্যাক্টরিতে তৈরি এসব কোচ বাংলাদেশের রেলওয়ের পরিচালনব্যবস্থা ও যাত্রীদের চাহিদা বিবেচনায় বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। এতে রয়েছে একাধিক অবস্থানে হেলানো যায় এমন বিশেষ আসন, স্টেইনলেস স্টিলের হাতল ও পায়ের বিশ্রাম রাখার ব্যবস্থা।

কোচগুলোর কাঠামোতে স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬০ কিলোমিটার গতিতে চলার উপযোগী করে এগুলো নকশা করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, যাত্রীদের নিরাপত্তায় কোচগুলোতে দুর্ঘটনার অভিঘাত মোকাবেলার বিশেষ ব্যবস্থা, অগ্নিনিরাপত্তা সরঞ্জাম ও সিসিটিভি নজরদারির ব্যবস্থা রয়েছে। পরিবেশবান্ধব বায়ো-টয়লেটের পাশাপাশি ইলেকট্রো-নিউম্যাটিক চাপযুক্ত ফ্লাশিং ব্যবস্থাও যুক্ত করা হয়েছে।

রাইটসের সঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়ের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি ২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে ৩০টি এবং ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর আরো ১০টি ব্রডগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সরবরাহ করে। পরে ২০১৮ সালের ১ জুন সরবরাহ করা হয় ১২০টি এলএইচবি ব্রডগেজ কোচ। এসব লোকোমোটিভ ও কোচ ভারত সরকারের ঋণসহায়তার আওতায় বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছিল।

সম্প্রতি সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, একটি প্রকল্পের আওতায় ভারত থেকে ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। কোচগুলো দেশে আসার পর নতুন ট্রেনের রুট নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।