ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় চাপের মধ্যেই চীন সফরে ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক ও জনমতের চাপের মধ্যেই চীন সফরে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সফরে তার মূল লক্ষ্য হবে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক কিছু সাফল্য অর্জন করে অভ্যন্তরীণ চাপ কিছুটা কমানো।
আজ ১২ মে মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, আগামী ১৪ ও ১৫ মে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। গত বছরের অক্টোবর থেকে বাণিজ্য যুদ্ধ সাময়িকভাবে স্থগিত থাকার পর এটি দুই নেতার মধ্যে প্রথম সরাসরি বৈঠক।
একসময় চীনের ওপর কঠোর শুল্ক আরোপ করে বড় ধরনের চাপ তৈরির যে কৌশল ট্রাম্প নিয়েছিলেন, তা এখন অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। আদালতের রায় ও আন্তর্জাতিক চাপের কারণে সেই অবস্থান থেকে সরে এসে এখন সীমিত কিছু বাণিজ্য চুক্তি যেমন সয়াবিন, গরুর মাংস ও বিমান কেনাবেচা নিয়ে সমঝোতার দিকে এগোতে হচ্ছে।
চীন সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রযুক্তি ও ব্যবসা খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরাও থাকবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন টেসলা প্রধান ইলন মাস্ক এবং অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক। তবে ২০১৭ সালের সফরের তুলনায় এবার ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল ছোট বলে জানা গেছে। বৈঠকে বাণিজ্য ছাড়াও তাইওয়ান ইস্যু এবং আটক মার্কিন নাগরিকদের বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে। পাশাপাশি ইরান সংকট নিরসনে চীনের সহযোগিতা চাইতে পারেন ট্রাম্প।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীন এখন বেশি আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্য ও কূটনৈতিক চাপ মোকাবেলায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে বেইজিং। আবার ইরান ইস্যুতে সামরিক ও কূটনৈতিক চাপ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্তের কারণে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমেছে বলেও বিভিন্ন জরিপে উঠে এসেছে।




















