ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘পুরো জাতিকে নিয়ে বঙ্গোপসাগরে ডুবে মরতে হবে’

নিজস্ব সংবাদ :

‘পুরো জাতিকে নিয়ে বঙ্গোপসাগরে ডুবে মরতে হবে’

 

যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের প্রয়োজনে পুরনো পতিত শক্তিকে ফিরিয়ে আনতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।

সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে রনি বলেন, প্রথমে তারা (যুক্তরাষ্ট্র) কোনো দেশের প্রধান শক্তিকে সরিয়ে ফেলে। পরে দ্বিতীয় বা তৃতীয় টায়ারের কোনো শক্তিকে পছন্দ করে এবং সর্বশেষ তারা পুরনো পক্ষের কাছে ফিরে যায়।

এ ক্ষেত্রে তিনি আফগানিস্তানের উদাহরণ টেনে বলেন, দেশটিতে তালেবান তাদেরই সৃষ্টি।

এই তালেবানকে আবার তারাই ধ্বংস করেছে। পরে দেশটিতে বিভিন্ন নেতৃত্ব ও ভারত-পাকিস্তান টেনে এনেছে তারা। এবং শেষে সবাইকে তাড়িয়ে আবার তালেবানের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয় তারা।

যুক্তরাষ্ট্র কেন এমন করছে তার ব্যাখ্যা হিসেবে রনি বলেন, দেশটিতে আমেরিকার স্বার্থ তালেবানরা যেভাবে দিতে পারবে অন্য কেউ সেভাবে দিতে পারবে না।

আর তালেবানরা সব ঠিকঠাক করলে সংগঠনটির বিরুদ্ধে টুঁ-শব্দ করার মতো প্রতিপক্ষও যুক্তরাষ্ট্র রাখেনি।

একইভাবে বাংলাদেশে প্রথমে একটি-দুটি টায়ারের সঙ্গে কাজ করে তারা, শেষে যুক্তরাষ্ট্র পুরনো বন্ধুদের কাছে ফিরে যাবে বলে মন্তব্য করেন এই বিশ্লেষক। এরপর তাদের দিয়ে বার্মা অ্যাক্ট বাস্তবায়ন করার সময় বাংলাদেশে ‘টুঁ’ শব্দ করার একটা লোক থাকবে না বলেও জানান রনি।

পুরনো বন্ধুদের তাঁবেদার বানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ফেরাবে জানিয়ে রনি বলেন, এরপর তাদের দিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির মতো শোষণ চালানো হবে।

আর যুক্তরাষ্ট্র কাউকে টার্গেট করলে অন্তত ৫০ বছর তাদের শোষণ করে বলেও মন্তব্য করেন এই বিশ্লেষক।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০১:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
১৬ বার পড়া হয়েছে

‘পুরো জাতিকে নিয়ে বঙ্গোপসাগরে ডুবে মরতে হবে’

আপডেট সময় ০১:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের প্রয়োজনে পুরনো পতিত শক্তিকে ফিরিয়ে আনতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।

সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে রনি বলেন, প্রথমে তারা (যুক্তরাষ্ট্র) কোনো দেশের প্রধান শক্তিকে সরিয়ে ফেলে। পরে দ্বিতীয় বা তৃতীয় টায়ারের কোনো শক্তিকে পছন্দ করে এবং সর্বশেষ তারা পুরনো পক্ষের কাছে ফিরে যায়।

এ ক্ষেত্রে তিনি আফগানিস্তানের উদাহরণ টেনে বলেন, দেশটিতে তালেবান তাদেরই সৃষ্টি।

এই তালেবানকে আবার তারাই ধ্বংস করেছে। পরে দেশটিতে বিভিন্ন নেতৃত্ব ও ভারত-পাকিস্তান টেনে এনেছে তারা। এবং শেষে সবাইকে তাড়িয়ে আবার তালেবানের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয় তারা।

যুক্তরাষ্ট্র কেন এমন করছে তার ব্যাখ্যা হিসেবে রনি বলেন, দেশটিতে আমেরিকার স্বার্থ তালেবানরা যেভাবে দিতে পারবে অন্য কেউ সেভাবে দিতে পারবে না।

আর তালেবানরা সব ঠিকঠাক করলে সংগঠনটির বিরুদ্ধে টুঁ-শব্দ করার মতো প্রতিপক্ষও যুক্তরাষ্ট্র রাখেনি।

একইভাবে বাংলাদেশে প্রথমে একটি-দুটি টায়ারের সঙ্গে কাজ করে তারা, শেষে যুক্তরাষ্ট্র পুরনো বন্ধুদের কাছে ফিরে যাবে বলে মন্তব্য করেন এই বিশ্লেষক। এরপর তাদের দিয়ে বার্মা অ্যাক্ট বাস্তবায়ন করার সময় বাংলাদেশে ‘টুঁ’ শব্দ করার একটা লোক থাকবে না বলেও জানান রনি।

পুরনো বন্ধুদের তাঁবেদার বানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ফেরাবে জানিয়ে রনি বলেন, এরপর তাদের দিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির মতো শোষণ চালানো হবে।

আর যুক্তরাষ্ট্র কাউকে টার্গেট করলে অন্তত ৫০ বছর তাদের শোষণ করে বলেও মন্তব্য করেন এই বিশ্লেষক।