ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
মহান মে দিবস আজ: শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই তেলের দামে রেকর্ড, হরমুজ খুলতে মরিয়া ট্রাম্প প্রশাসন ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধান থেকে বাদ দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম-ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের সক্ষমতা রয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা কমানোর হুমকি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সারাদেশে বিভাগীয় সমাবেশ করবে জামায়াতসহ ১১ দল ব্যাংক-আর্থিক খাতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৪ বোয়িং কিনছে সরকার, চুক্তি সই বৃহস্পতিবার

তেলের দামে রেকর্ড, হরমুজ খুলতে মরিয়া ট্রাম্প প্রশাসন

নিজস্ব সংবাদ :

তেলের দামে রেকর্ড, হরমুজ খুলতে মরিয়া ট্রাম্প প্রশাসন

 

দুই মাস ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধের পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি এখনো বন্ধ রয়েছে। বিশ্বে মোট তেল ও গ্যাসের এক পঞ্চমাংশ সরবরাহের পথটি বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে বেড়েছে তেলের দাম এবং অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি।

বার্তা সংস্থা সিএনএন বলছে, এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলারের বেশি ছাড়িয়েছে, যা ২০২২ সালের মার্চে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ তারিখে শুরু হওয়া এই সংঘাতের পর থেকে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম, যার ফলে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং জ্বালানির খুচরা মূল্য অত্যধিক পর্যায়ে রয়েছে।

বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের হাতে আসা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বার্তায় জানা গেছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় ওয়াশিংটন একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের পরিকল্পনা করছে।

যদিও গত ৮ এপ্রিল থেকে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টা এখনো অচলাবস্থায় রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধের জবাবে ইরান এখনো প্রণালিটি বন্ধ করে রেখেছে।

এদিকে ইরান বুধবার সতর্ক করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজে অবরোধ অব্যাহত রাখে, তাহলে তারা অভূতপূর্ব সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। এই হুমকি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন হামলার পরিকল্পনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে তেল সরবরাহে আরো বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি পরিকল্পনা হলো হরমুজ প্রণালির একটি অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তা বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১০:০৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
১২ বার পড়া হয়েছে

তেলের দামে রেকর্ড, হরমুজ খুলতে মরিয়া ট্রাম্প প্রশাসন

আপডেট সময় ১০:০৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

 

দুই মাস ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধের পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি এখনো বন্ধ রয়েছে। বিশ্বে মোট তেল ও গ্যাসের এক পঞ্চমাংশ সরবরাহের পথটি বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে বেড়েছে তেলের দাম এবং অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি।

বার্তা সংস্থা সিএনএন বলছে, এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলারের বেশি ছাড়িয়েছে, যা ২০২২ সালের মার্চে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ তারিখে শুরু হওয়া এই সংঘাতের পর থেকে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম, যার ফলে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং জ্বালানির খুচরা মূল্য অত্যধিক পর্যায়ে রয়েছে।

বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের হাতে আসা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বার্তায় জানা গেছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় ওয়াশিংটন একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠনের পরিকল্পনা করছে।

যদিও গত ৮ এপ্রিল থেকে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টা এখনো অচলাবস্থায় রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধের জবাবে ইরান এখনো প্রণালিটি বন্ধ করে রেখেছে।

এদিকে ইরান বুধবার সতর্ক করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজে অবরোধ অব্যাহত রাখে, তাহলে তারা অভূতপূর্ব সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে। এই হুমকি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নতুন হামলার পরিকল্পনা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে তেল সরবরাহে আরো বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি পরিকল্পনা হলো হরমুজ প্রণালির একটি অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তা বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া।