একটি জাতি ধ্বংস হওয়ার মূল কারণ উদঘাটন করেছে দেশবন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ
রিমন হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি: একটি জাতিকে ধ্বংস করতে সংস্কৃতি ও শিক্ষা ধ্বংস করলেই যথেষ্ট। তাই প্রতি জেলায় শিক্ষা অনুরাগীদের দেশবন্ধু সম্মাননা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা এবং কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং এম এ রউফ (Qatar) সদস্য সচিব কেন্দ্রীয় কমিটি
শিক্ষা ও সংস্কৃতি: একটি জাতির অস্তিত্বের মূল ভিত্তি একটি জাতিকে ধ্বংস করতে সবসময় গোলাবারুদ প্রয়োজন হয় না। ইতিহাস প্রমাণ করে—সংস্কৃতি ও শিক্ষা ধ্বংস করলেই একটি জাতিকে ধীরে ধীরে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া সম্ভব। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ দেশের প্রতিটি জেলায় শিক্ষা অনুরাগীদের “দেশবন্ধু” সম্মাননা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
একটি জাতির অস্তিত্ব কেবল তার ভৌগোলিক সীমানা বা সামরিক শক্তির উপর নির্ভর করে না। বরং একটি জাতির প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে তার সংস্কৃতি, শিক্ষা এবং নৈতিক মূল্যবোধের ভিতের উপর। ইতিহাস আমাদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়— যে জাতির সংস্কৃতি ধ্বংস হয়েছে, তারা নিজেদের পরিচয় হারিয়েছে। যে জাতির শিক্ষা দুর্বল হয়েছে, তারা চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়েছে।
সংস্কৃতি ধ্বংস হলে মানুষ তার শেকড় ভুলে যায়। আত্মপরিচয়ে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং অন্যের অন্ধ অনুকরণে লিপ্ত হয়। ফলে সমাজের বন্ধন দুর্বল হয়ে যায়, নৈতিকতা ভেঙে পড়ে, এবং একটি জাতি তার স্বকীয়তা হারাতে শুরু করে।
অন্যদিকে, শিক্ষা ধ্বংস হলে মানুষের সচেতনতা বিলীন হয়ে যায়। সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। তখন একটি জাতি সহজেই বিভ্রান্ত হয়, নিয়ন্ত্রিত হয়, এবং অন্যের ইচ্ছার কাছে আত্মসমর্পণ করে। একটি বোমা একটি শহর ধ্বংস করতে পারে কিন্তু শিক্ষা ও সংস্কৃতি ধ্বংস একটি পুরো প্রজন্মকে ধ্বংস করে।
এই ধ্বংস ধীর, নীরব, কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর। কারণ মানুষ বুঝতেই পারে না যে তারা ধ্বংসের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
এই বাস্তবতাকে উপলব্ধি করেই “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের প্রতিটি জেলায় গত ৫০ বছরে শিক্ষা উন্নয়নে যারা অসামান্য অবদান রেখেছেন, তাদের মধ্য থেকে যোগ্য ব্যক্তিদের “দেশবন্ধু” খেতাব প্রদান করা হবে।
শুধু সম্মাননা দিয়েই থেমে থাকা নয়— যেহেতু এই গুণী ব্যক্তিরা দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাই তাদের নামে সংশ্লিষ্ট জেলায় একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান—যেমন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল বা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র—প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। এটি শুধু সম্মান নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্থায়ী অবদান—যা সমাজকে এগিয়ে নেবে এবং নতুন পথ দেখাবে।
আমাদের আহ্বান
আমরা বিশ্বাস করি— শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা, নৈতিক মূল্যবোধ পুনর্জাগরণ করা— এই তিনটি বিষয়ই একটি জাতিকে রক্ষা করার মূল ভিত্তি।
দেশ রক্ষা শুধু সীমান্ত রক্ষার মাধ্যমে সম্ভব নয়। দেশ রক্ষা হয় মানুষের চিন্তা, চেতনা এবং মূল্যবোধ রক্ষার মাধ্যমে। উপসংহার একটি জাতির প্রকৃত যুদ্ধ অস্ত্রের যুদ্ধ নয়— এটি চিন্তা, মূল্যবোধ এবং পরিচয়ের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে জয়ী হতে হলে আমাদের শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করতেই হবে। এটাই আমাদের ভবিষ্যৎ, এটাই আমাদের অস্তিত্ব। অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক এম এ রউফ (কাতার) সদস্য সচিব, কেন্দ্রীয় কমিটি প্রচার সম্পাদক রিমন হোসেন “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ ফারুক হমেদ চৌধুরী ইউকে আহবায়ক, মোসাদ্দিক মিয়া মানিক ইউকে আহ্বায়ক, যুক্তরাজ্য কমিটি সৈয়দ খালেদ মিয়া অলিদ যুগ্ম আহ্বায়ক, যুক্তরাজ্য কমিটি আহবায়ক হাকিকূল ইসলাম খোকন সিনিয়র সাংবাদিক আমেরিকা।
যুক্তরাষ্ট্রে রেজা নবী ও কিলটন পাভেল আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইতালিতে রেয়াজ আবু সাইদ, দুবাইয়ে শাহিন তালুকদার, কুয়েতে আরব আলী, কাতারে হেলাল উদ্দীন আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।
এছাড়া সৌদি আরবে হেলাল আহমেদ, রিমন হোসেন, আঃ হামিদ, শুভ মীর, মো. সজীব, মো. সাব্বির হোসেন, মো. রবিউস সানী, মো. মামুন মোল্লা ও সাগর মিয়াসহ একাধিক নেতা রয়েছেন। মালদ্বীপে কাজী মোকলিছ, অস্ট্রিয়ায় আবুল হোসেন সরদার, অস্ট্রেলিয়ায় শাহাজান, জাহাঙ্গীর আলম, কাউসার ও শেখ ফরিদ দায়িত্বে আছেন।
যুক্তরাজ্যে আবু তাহের চৌধুরী, লুৎফুর রহমান, মোহাম্মদ এনাম, ইকবাল তালুকদার, নাজমা আক্তার, ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর, এডভোকেট এনাম ও এনাম হকসহ একাধিক নেতা রয়েছেন। ফ্রান্সে জালাল উদ্দীন ও ড. মালেক ফরাজী, সুইডেনে জামাল মোস্তফা, স্পেনে রহিম মিয়া, সিঙ্গাপুরে মোহাম্মদ আজাদ রহমান ও সিরাজ মিয়া, কানাডায় রিপন মিয়া দায়িত্ব পালন করছেন।
এছাড়া পাকিস্তানে সিরাজ খান, ভারতে মুসলিম মিয়া, চীনে শাহাদাৎ হোসেন এবং পোল্যান্ডে আশরাফ মিয়া দায়িত্বে রয়েছেন।
বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় কমিটিতে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম ও মেজর ইমরানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা রয়েছেন। মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটিতে নাজনীন রহমান রাজন সভাপতি, নাসরিন আক্তার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, ইয়াসমিন আক্তার রুমন সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সদস্য হিসেবে রয়েছেন রানিছা, মাহিশা ও আলেয়া বেগম।
এছাড়া বাংলাদেশে ইয়াসমিন আক্তার বকুল, আক্তার মিয়া, ইয়াসমিন আক্তার, মোহন, মুস্তাফিজুর রহমান রিপন, ফোটন, প্রাপ্তি রহমান, আব্দুল কাইয়ুম, আব্দুল লতিফ, মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা, লাবনী আনোয়ার, আবুল বাসার, নুরুল হুদা, মনিরুজ্জামান, ইসমাইল খান, এস এম আব্দুস সাত্তার, শামসুন্নাহার বেগম, প্রফেসর আলহাজ্ব ড. শরিফ সাকি, এনামুল কবির লিটু, Shafayet Hossain (shopon) এমরান হোসাইন ইতালি প্রমুখ রয়েছেন।










