ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
‘অন্তর্বর্তী সরকারের গোপন চুক্তির কারণে রাশিয়ার তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি নিতে হচ্ছে’ বিবাহ করলেন শিল্পী সিমরিন লুবাবা বল টেম্পারিংয়ের দায়ে ২ ম্যাচ নিষিদ্ধ ফখর জামান প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ ভঙ্গ করেছেন: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘আপনারা জেন-জি রিপ্রেজেন্ট করেন, জামায়াত জেনারেশন হইয়েন না’ মধ্যপ্রাচ্যের পথে হাজারো মার্কিন এয়ারবর্ন প্যারাট্রুপার একটি জাতি ধ্বংস হওয়ার মূল কারণ উদঘাটন করেছে দেশবন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ গণভোটের বিরোধিতা করার অর্থ আয়নাঘরকে সমর্থন করা: ডা. মাসুদ পরিবারের দুঃখ কষ্ট ভুলে থাকতেই ভিডিও করি: ভাইরাল তাইজুল টালিউড অভিনেতা রাহুলের মৃত্যুতে শোকাহত চঞ্চল চৌধুরী

গণভোটের বিরোধিতা করার অর্থ আয়নাঘরকে সমর্থন করা: ডা. মাসুদ

নিজস্ব সংবাদ :

গণভোটের বিরোধিতা করার অর্থ আয়নাঘরকে সমর্থন করা: ডা. মাসুদ

 

গণভোটের বিরোধিতা করার অর্থ হচ্ছে গুম-খুনের ‘আয়নাঘর’কে সমর্থন করা বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটকে ইগনোর (উপেক্ষা) করা হলে বাউফল-পটুয়াখালীসহ গোটা বাংলাদেশ আবারও জেগে উঠবে।

আজ সোমবার সংসদের বৈঠকে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. মাসুদ বলেন, ‘আজকে সংবিধানের লাইন ধরে ধরে যদি আমাদেরকে চলতে হতো, তাহলে আমাদের নেতৃবৃন্দকে ফাঁসির মঞ্চে যেতে হতো না। সংবিধান যদি আমাদের রক্ষা করতে পারতো, তবে ৭২-এর সংবিধানের আলোকে আজকে আমাদের এখানে থাকার কথা ছিল না। আমি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, আমার এখন জেলখানায় থাকার কথা ছিল।’

তিনি বলেন, ‘সংবিধান মানতে হলে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে থাকার কথা, উনার দেশের বাইরে থাকার কথা না। জুলাই বিপ্লবের পর যে গণভোটের দাবি উঠেছে, তাকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। আপনারা ৫১ শতাংশের দোহাই দিলেও প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণবিপ্লব ও গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এই ৭০ শতাংশ মানুষের ইচ্ছাকে অবজ্ঞা করলে জাতি আবারও জেগে উঠবে।

নিজের ওপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে এ সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ৩৫০টি মামলা দেওয়া হয়েছিল। সাড়ে চার বছর আমি জেল খেটেছি। তিনবার রি-অ্যারেস্ট করা হয়েছে এবং দুইবার গুম করা হয়েছিল। ডিজিএফআই থেকে আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল মন্ত্রিত্ব ও দেশ পরিচালনার ভাগ নেওয়ার জন্য, শর্ত ছিল শেখ হাসিনার নীতি ও ৭২-এর সংবিধান মেনে নিতে হবে। কিন্তু আমরা আপস করিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্পষ্ট বলেছিলেন—সুযোগ পেলে আমরা এই (৭২-এর) সংবিধান ছুঁড়ে ফেলে দেব। অথচ আজ বর্তমান সরকারি দলের মধ্যে সেই সংবিধানের প্রতি কেন এত প্রেম জাগ্রত হয়েছে, তা দেশের মানুষ জানতে চায়।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০২:২৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
১৬ বার পড়া হয়েছে

গণভোটের বিরোধিতা করার অর্থ আয়নাঘরকে সমর্থন করা: ডা. মাসুদ

আপডেট সময় ০২:২৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

 

গণভোটের বিরোধিতা করার অর্থ হচ্ছে গুম-খুনের ‘আয়নাঘর’কে সমর্থন করা বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটকে ইগনোর (উপেক্ষা) করা হলে বাউফল-পটুয়াখালীসহ গোটা বাংলাদেশ আবারও জেগে উঠবে।

আজ সোমবার সংসদের বৈঠকে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. মাসুদ বলেন, ‘আজকে সংবিধানের লাইন ধরে ধরে যদি আমাদেরকে চলতে হতো, তাহলে আমাদের নেতৃবৃন্দকে ফাঁসির মঞ্চে যেতে হতো না। সংবিধান যদি আমাদের রক্ষা করতে পারতো, তবে ৭২-এর সংবিধানের আলোকে আজকে আমাদের এখানে থাকার কথা ছিল না। আমি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, আমার এখন জেলখানায় থাকার কথা ছিল।’

তিনি বলেন, ‘সংবিধান মানতে হলে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে থাকার কথা, উনার দেশের বাইরে থাকার কথা না। জুলাই বিপ্লবের পর যে গণভোটের দাবি উঠেছে, তাকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। আপনারা ৫১ শতাংশের দোহাই দিলেও প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণবিপ্লব ও গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এই ৭০ শতাংশ মানুষের ইচ্ছাকে অবজ্ঞা করলে জাতি আবারও জেগে উঠবে।

নিজের ওপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে এ সংসদ সদস্য বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ৩৫০টি মামলা দেওয়া হয়েছিল। সাড়ে চার বছর আমি জেল খেটেছি। তিনবার রি-অ্যারেস্ট করা হয়েছে এবং দুইবার গুম করা হয়েছিল। ডিজিএফআই থেকে আমাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল মন্ত্রিত্ব ও দেশ পরিচালনার ভাগ নেওয়ার জন্য, শর্ত ছিল শেখ হাসিনার নীতি ও ৭২-এর সংবিধান মেনে নিতে হবে। কিন্তু আমরা আপস করিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্পষ্ট বলেছিলেন—সুযোগ পেলে আমরা এই (৭২-এর) সংবিধান ছুঁড়ে ফেলে দেব। অথচ আজ বর্তমান সরকারি দলের মধ্যে সেই সংবিধানের প্রতি কেন এত প্রেম জাগ্রত হয়েছে, তা দেশের মানুষ জানতে চায়।’