ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
এক্সে জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ তদন্তে ডিবি কিছু কিছু প্রার্থী ভোট চান না, শুধু আমার বিরুদ্ধে কথা বলছেন: মির্জা আব্বাস জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ আরো ১৯ জনকে বহিষ্কার কোনো মার্কাকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল যুবকদের অংশগ্রহণে সেনাবাহিনীর রিজার্ভ ফোর্স দ্বিগুণ করা হবে: আসিফ মাহমুদ ‘আমেরিকা-ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠকে জামায়াত ইনসাফ বাস্তবায়ন করতে চায়’ ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার পরিবর্তে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনবে ভারত: ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি

‘বড় আকারে বিমান ওঠানামার সক্ষমতা বাড়বে যশোর বিমানবন্দরে’

নিজস্ব সংবাদ :

‘বড় আকারে বিমান ওঠানামার সক্ষমতা বাড়বে যশোর বিমানবন্দরে’

যশোর বিমানবন্দরে বড় আকারের উড়োজাহাজ ওঠানামার সক্ষমতা বাড়ছে। রানওয়ের শক্তি বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ভবিষ্যতে এখানে আরো বড় বিমান নিরাপদভাবে চলাচল করতে পারবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) যশোর বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত ‘এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি এক্সারসাইজ-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, যশোর বিমানবন্দরের নতুন বহির্গমন টার্মিনাল ভবন ও নতুন এপ্রোনের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

পাশাপাশি বিদ্যমান রানওয়ের শক্তি বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রানওয়ের ধারণক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং বড় আকারের উড়োজাহাজ ওঠানামার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

অনুষ্ঠানে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, যাত্রীসেবা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত নিরাপত্তা মহড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের মহড়া সম্ভাব্য দুর্বলতা চিহ্নিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার করে।

তিনি আরো বলেন, চলতি বছর অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) নিরাপত্তা অডিটের প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও এই মহড়া কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

নিরাপত্তা মহড়ার দৃশ্যপটে দেখা যায়, সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এয়ার বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট যশোরের উদ্দেশে যাত্রা করে। উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই যশোর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কাছে একটি বেনামি ফোনকল আসে, যেখানে বিমানে বোমা থাকার হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি দ্রুত কন্ট্রোল টাওয়ার ও এভিয়েশন সিকিউরিটি ইনচার্জকে জানানো হয়।

পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক ফুল এয়ারপোর্ট ইমার্জেন্সি ঘোষণা করেন এবং ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার সক্রিয় করা হয়। বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, সিভিল ডিফেন্স ও মেডিকেল ইউনিটসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে অভিযানে অংশ নেয়।

এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করে বেবিচক, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন, আনসার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল টিমসহ বিভিন্ন সংস্থা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৭:১০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
২১ বার পড়া হয়েছে

‘বড় আকারে বিমান ওঠানামার সক্ষমতা বাড়বে যশোর বিমানবন্দরে’

আপডেট সময় ০৭:১০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

যশোর বিমানবন্দরে বড় আকারের উড়োজাহাজ ওঠানামার সক্ষমতা বাড়ছে। রানওয়ের শক্তি বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ভবিষ্যতে এখানে আরো বড় বিমান নিরাপদভাবে চলাচল করতে পারবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) যশোর বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত ‘এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি এক্সারসাইজ-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, যশোর বিমানবন্দরের নতুন বহির্গমন টার্মিনাল ভবন ও নতুন এপ্রোনের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

পাশাপাশি বিদ্যমান রানওয়ের শক্তি বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রানওয়ের ধারণক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং বড় আকারের উড়োজাহাজ ওঠানামার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

অনুষ্ঠানে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, যাত্রীসেবা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত নিরাপত্তা মহড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের মহড়া সম্ভাব্য দুর্বলতা চিহ্নিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার করে।

তিনি আরো বলেন, চলতি বছর অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) নিরাপত্তা অডিটের প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও এই মহড়া কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

নিরাপত্তা মহড়ার দৃশ্যপটে দেখা যায়, সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এয়ার বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট যশোরের উদ্দেশে যাত্রা করে। উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই যশোর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপকের কাছে একটি বেনামি ফোনকল আসে, যেখানে বিমানে বোমা থাকার হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি দ্রুত কন্ট্রোল টাওয়ার ও এভিয়েশন সিকিউরিটি ইনচার্জকে জানানো হয়।

পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক ফুল এয়ারপোর্ট ইমার্জেন্সি ঘোষণা করেন এবং ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার সক্রিয় করা হয়। বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, সিভিল ডিফেন্স ও মেডিকেল ইউনিটসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে অভিযানে অংশ নেয়।

এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করে বেবিচক, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন, আনসার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল টিমসহ বিভিন্ন সংস্থা।