ঢাকা ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
এক্সে জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ তদন্তে ডিবি কিছু কিছু প্রার্থী ভোট চান না, শুধু আমার বিরুদ্ধে কথা বলছেন: মির্জা আব্বাস জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ আরো ১৯ জনকে বহিষ্কার কোনো মার্কাকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল যুবকদের অংশগ্রহণে সেনাবাহিনীর রিজার্ভ ফোর্স দ্বিগুণ করা হবে: আসিফ মাহমুদ ‘আমেরিকা-ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠকে জামায়াত ইনসাফ বাস্তবায়ন করতে চায়’ ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার পরিবর্তে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনবে ভারত: ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি

‘বড় ধরনের সংস্কারের জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন’

নিজস্ব সংবাদ :

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, বড় ধরনের সংস্কারের জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করলেও জনগণের মতামত নেওয়া এখনো বাকি। জনগণের মতামত জানার জন্যই গণভোটের আয়োজন। এখানে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ দুটি ভোটের সুযোগ থাকবে।

যারা সংস্কারের পক্ষে, তারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। আর যারা শেখ হাসিনার আমলের মতো বাংলাদেশ পরিচালিত হোক চান, তারা ‘না’ ভোট দেবেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘গণভোট বিষয়ে ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, গত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণকে ভোট দিতে দেয়নি।

কখনো রাতের ভোট, কখনো প্রতিদ্বন্দ্বীহীন একক নির্বাচন, আবার কখনো ডামি ও ভুয়া ভোটের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে দীর্ঘ ১৫ বছর ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রেখে নিজেদের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টন করা হয়েছে। জনগণের ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছে এবং দেশকে অন্য দেশের কাছে বিক্রি করে অবৈধভাবে ক্ষমতা ভোগ করা হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার অসীম আত্মত্যাগের ফলে দেশে পুনরায় ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে; এই সুযোগ কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দেওয়া যাবে। কাউকে ভোট দিতে বাধা দেওয়া হবে না। আর যদি কেউ বাধা দেয়, তাহলে সে শেখ হাসিনা হয়ে যাবে। আমরা শেখ হাসিনা হতে চাই না।

এবারের নির্বাচনে দুটি ঐতিহাসিক ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এবং প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৬:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
২৬ বার পড়া হয়েছে

‘বড় ধরনের সংস্কারের জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন’

আপডেট সময় ০৬:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, বড় ধরনের সংস্কারের জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করলেও জনগণের মতামত নেওয়া এখনো বাকি। জনগণের মতামত জানার জন্যই গণভোটের আয়োজন। এখানে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ দুটি ভোটের সুযোগ থাকবে।

যারা সংস্কারের পক্ষে, তারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। আর যারা শেখ হাসিনার আমলের মতো বাংলাদেশ পরিচালিত হোক চান, তারা ‘না’ ভোট দেবেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘গণভোট বিষয়ে ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, গত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা ১৫ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণকে ভোট দিতে দেয়নি।

কখনো রাতের ভোট, কখনো প্রতিদ্বন্দ্বীহীন একক নির্বাচন, আবার কখনো ডামি ও ভুয়া ভোটের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে দীর্ঘ ১৫ বছর ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রেখে নিজেদের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টন করা হয়েছে। জনগণের ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছে এবং দেশকে অন্য দেশের কাছে বিক্রি করে অবৈধভাবে ক্ষমতা ভোগ করা হয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার অসীম আত্মত্যাগের ফলে দেশে পুনরায় ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে; এই সুযোগ কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দেওয়া যাবে। কাউকে ভোট দিতে বাধা দেওয়া হবে না। আর যদি কেউ বাধা দেয়, তাহলে সে শেখ হাসিনা হয়ে যাবে। আমরা শেখ হাসিনা হতে চাই না।

এবারের নির্বাচনে দুটি ঐতিহাসিক ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এবং প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।