ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
এক্সে জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ তদন্তে ডিবি কিছু কিছু প্রার্থী ভোট চান না, শুধু আমার বিরুদ্ধে কথা বলছেন: মির্জা আব্বাস জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ আরো ১৯ জনকে বহিষ্কার কোনো মার্কাকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল যুবকদের অংশগ্রহণে সেনাবাহিনীর রিজার্ভ ফোর্স দ্বিগুণ করা হবে: আসিফ মাহমুদ ‘আমেরিকা-ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠকে জামায়াত ইনসাফ বাস্তবায়ন করতে চায়’ ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার পরিবর্তে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনবে ভারত: ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি

অবসরে গেলেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ

নিজস্ব সংবাদ :

অবসরে গেলেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ

 

সংবিধান অনুযায়ী ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসরে গেলেন দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তিনি অবসর গ্রহণ করেন। এদিকে, দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

সংবিধান অনুযায়ী বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। সে হিসাবে তার ৬৭ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে আজ ২৭ ডিসেম্বর।

প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি বিচার বিভাগের জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। সেই অনুযায়ী বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠন এবং বিচারক নিয়োগে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সৈয়দ রেফাত আহমেদ যুক্তরাজ্যের বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াডাম কলেজ থেকে আইন বিষয়ে প্রথম শ্রেণিতে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্টস ইউনিভার্সিটির ফ্লেচার স্কুল অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি থেকে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গেও কাজ করেছেন।

তিনি ১৯৮৪ সালে ঢাকা জেলা আদালতে এবং ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন। ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত হন এবং এর দুই বছর পর হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন।

ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বাংলাদেশের প্রথিতযশা আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ এবং ড. সুফিয়া আহমেদের ছেলে। ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ দুই দফায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার মা ভাষাসৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. সুফিয়া আহমেদ ছিলেন দেশের প্রথম নারী জাতীয় অধ্যাপক।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৪:৪৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
৪৪ বার পড়া হয়েছে

অবসরে গেলেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ

আপডেট সময় ০৪:৪৯:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

 

সংবিধান অনুযায়ী ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসরে গেলেন দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তিনি অবসর গ্রহণ করেন। এদিকে, দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

সংবিধান অনুযায়ী বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। সে হিসাবে তার ৬৭ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে আজ ২৭ ডিসেম্বর।

প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি বিচার বিভাগের জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। সেই অনুযায়ী বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠন এবং বিচারক নিয়োগে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সৈয়দ রেফাত আহমেদ যুক্তরাজ্যের বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াডাম কলেজ থেকে আইন বিষয়ে প্রথম শ্রেণিতে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্টস ইউনিভার্সিটির ফ্লেচার স্কুল অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি থেকে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গেও কাজ করেছেন।

তিনি ১৯৮৪ সালে ঢাকা জেলা আদালতে এবং ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন। ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত হন এবং এর দুই বছর পর হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হন।

ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বাংলাদেশের প্রথিতযশা আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ এবং ড. সুফিয়া আহমেদের ছেলে। ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমেদ দুই দফায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার মা ভাষাসৈনিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. সুফিয়া আহমেদ ছিলেন দেশের প্রথম নারী জাতীয় অধ্যাপক।