ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
হবিগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের ৩০০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা রাজধানীর সব ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের আরো বাড়ল এলপিজির দাম জ্বালানি উপদেষ্টার ফোন নম্বর হ্যাকড একটি দল নারীদের মর্যাদা দিতে চায় না: সালাহউদ্দিন আহমদ ‘১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ৯১ শতাংশ ঘটনায় বিএনপি সম্পৃক্ত’ দুর্নীতিবাজদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের যারা নারীদের অসম্মান করে, তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়: তারেক রহমান এক্সে জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ তদন্তে ডিবি

জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেনি যেসব রাজনৈতিক দল

নিজস্ব সংবাদ :

জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেনি যেসব রাজনৈতিক দল

জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং চারটি বাম রাজনৈতিক দল। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নিলেও এনসিপি ও বাম দলগুলোর কোনো প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।

অনুপস্থিত বাম চার দল হলো-বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাসদ (মার্ক্সবাদী) এবং বাংলাদেশ জাসদ।

বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর কিছু আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান।

এনসিপির মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন জানান, দলের পক্ষ থেকে আগে থেকেই না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল। গতকাল দিবাগত রাত ২টার দিকে এনসিপির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আইনি ভিত্তির নিশ্চয়তা না থাকায় তারা এখনই সনদে স্বাক্ষর করছে না।

শুক্রবার রাজধানীর ইস্কাটনে এক অনুষ্ঠানে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “জাতীয় ঐকমত্যের নামে কিছু রাজনৈতিক দল জনগণকে প্রতারিত করছে।”

অন্যদিকে, বাম দলগুলোও সনদ সংশোধনের দাবি জানিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি। গতকাল পুরানা পল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে সিপিবি, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ জাসদের নেতারা জানান, সংশোধিত খসড়া না পেলে তারা সনদে স্বাক্ষর করবে না। সিপিবি সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির বলেন, “আমরা আগেই আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি।”

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ছয়টি বড় ধরনের সংস্কার কমিশনের মাধ্যমে সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি দমন, পুলিশ ও বিচার বিভাগের সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে ৬৩টি দলের সঙ্গে আলোচনা করে এই সনদ তৈরি করে। তবে জাতীয় পার্টিকে আলোচনায় রাখা হয়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৮:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
৮৪ বার পড়া হয়েছে

জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেনি যেসব রাজনৈতিক দল

আপডেট সময় ০৮:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং চারটি বাম রাজনৈতিক দল। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নিলেও এনসিপি ও বাম দলগুলোর কোনো প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।

অনুপস্থিত বাম চার দল হলো-বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাসদ (মার্ক্সবাদী) এবং বাংলাদেশ জাসদ।

বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর কিছু আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান।

এনসিপির মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন জানান, দলের পক্ষ থেকে আগে থেকেই না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল। গতকাল দিবাগত রাত ২টার দিকে এনসিপির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আইনি ভিত্তির নিশ্চয়তা না থাকায় তারা এখনই সনদে স্বাক্ষর করছে না।

শুক্রবার রাজধানীর ইস্কাটনে এক অনুষ্ঠানে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “জাতীয় ঐকমত্যের নামে কিছু রাজনৈতিক দল জনগণকে প্রতারিত করছে।”

অন্যদিকে, বাম দলগুলোও সনদ সংশোধনের দাবি জানিয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি। গতকাল পুরানা পল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে সিপিবি, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ জাসদের নেতারা জানান, সংশোধিত খসড়া না পেলে তারা সনদে স্বাক্ষর করবে না। সিপিবি সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির বলেন, “আমরা আগেই আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি।”

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ছয়টি বড় ধরনের সংস্কার কমিশনের মাধ্যমে সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি দমন, পুলিশ ও বিচার বিভাগের সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে ৬৩টি দলের সঙ্গে আলোচনা করে এই সনদ তৈরি করে। তবে জাতীয় পার্টিকে আলোচনায় রাখা হয়নি।