ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
এক্সে জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ তদন্তে ডিবি কিছু কিছু প্রার্থী ভোট চান না, শুধু আমার বিরুদ্ধে কথা বলছেন: মির্জা আব্বাস জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ আরো ১৯ জনকে বহিষ্কার কোনো মার্কাকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল যুবকদের অংশগ্রহণে সেনাবাহিনীর রিজার্ভ ফোর্স দ্বিগুণ করা হবে: আসিফ মাহমুদ ‘আমেরিকা-ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠকে জামায়াত ইনসাফ বাস্তবায়ন করতে চায়’ ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার পরিবর্তে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনবে ভারত: ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শরিফুল হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল

নিজস্ব সংবাদ :

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শরিফুল হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল

বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী শরিফুল এম. খান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। গত জুন মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেসব সামরিক কর্মকর্তাকে মেজর জেনারেল ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতির জন্য মনোনীত করেছিলেন, তাদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা শরিফুল খান। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরিফুল এম খানকে অভিনন্দন জানিয়ে বলা হয়, তিনি আমেরিকান শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক এবং বাংলাদেশি-আমেরিকান সম্প্রদায়ের পথপ্রদর্শক।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ জুন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৫৫ জন সামরিক কর্মকর্তাকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং ১৫ জনকে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতির জন্য মনোনীত করেন। সেই তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন ইউএস এয়ার ফোর্সের কর্মকর্তা শরিফুল খানও।

২০ আগস্ট তার নতুন পদে অভিষেক হয়। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত এম ওসমান সিদ্দিক এক্স (পূর্বে টুইটার)-এ এক পোস্টে অভিষেক অনুষ্ঠানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি নিজেও যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রদূত হিসেবে ইতিহাস গড়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর ওয়েবসাইট অনুসারে, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরিফুল এম খান বর্তমানে ‘গোল্ডেন ডোম ফর আমেরিকা’ কর্মসূচির স্টাফ ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই দায়িত্বে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বহুস্তরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা উদ্যোগের কৌশল, নীতি, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সমন্বয় করে থাকেন।

তিনি সরকারি সংস্থা, শিল্প খাত, বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তুলতে কাজ করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৯:০১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
১১৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শরিফুল হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল

আপডেট সময় ০৯:০১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী শরিফুল এম. খান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। গত জুন মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেসব সামরিক কর্মকর্তাকে মেজর জেনারেল ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতির জন্য মনোনীত করেছিলেন, তাদের মধ্যে ছিলেন মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা শরিফুল খান। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরিফুল এম খানকে অভিনন্দন জানিয়ে বলা হয়, তিনি আমেরিকান শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক এবং বাংলাদেশি-আমেরিকান সম্প্রদায়ের পথপ্রদর্শক।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ জুন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৫৫ জন সামরিক কর্মকর্তাকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং ১৫ জনকে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতির জন্য মনোনীত করেন। সেই তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন ইউএস এয়ার ফোর্সের কর্মকর্তা শরিফুল খানও।

২০ আগস্ট তার নতুন পদে অভিষেক হয়। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত এম ওসমান সিদ্দিক এক্স (পূর্বে টুইটার)-এ এক পোস্টে অভিষেক অনুষ্ঠানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি নিজেও যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রদূত হিসেবে ইতিহাস গড়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর ওয়েবসাইট অনুসারে, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরিফুল এম খান বর্তমানে ‘গোল্ডেন ডোম ফর আমেরিকা’ কর্মসূচির স্টাফ ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই দায়িত্বে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বহুস্তরীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা উদ্যোগের কৌশল, নীতি, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সমন্বয় করে থাকেন।

তিনি সরকারি সংস্থা, শিল্প খাত, বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তুলতে কাজ করছেন।