ঢাকা ০৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
কোনো চাপ নয়, চাহিদার কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপি নেতা ও সাবেক বিচারপতিসহ ৬০৫ জন চট্টগ্রামে বিএনপির দুই গ্রুপের মাঝে তুমুল সংঘর্ষ, অস্ত্রের ঝনঝনানি ৪২ বছর পর সংশোধন হচ্ছে বেসামরিক বিমান চলাচল বিধিমালা চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়াল কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা বিএনপি নেতার বিপিএলে ফিক্সিংয়ের অভিযোগে বিসিবির ৩ কর্মকর্তা নিষিদ্ধ ‘মক্কা প্যাক্টে অংশ নিতে পরিস্থিতি যাচাই-বাছাই করছে বাংলাদেশ’ ‘তোমার কীর্তি চিরকাল মনে থাকবে’: মেসিকে বেকহ্যামের বার্তা সীমান্ত নিরাপত্তা বাড়াতে সিলেটে উদ্বোধন হলো ‘ড্রোন ওয়ারফেয়ার’ স্কুল

সংসদ অধিবেশন থেকে ফের ওয়াকআউট বিরোধী দলের

নিজস্ব সংবাদ :

সংসদ অধিবেশন থেকে ফের ওয়াকআউট বিরোধী দলের

 

বিশেষ কমিটির সুপারিশের পরও জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিলে সংশোধনী আনার অভিযোগ ‍তুলে সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট। তারা বিশেষ কমিটির ‘সমঝোতা ভঙ্গ’ ও ‘স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে’ প্রশ্ন তুলে বেরিয়ে যান।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে অধিবেশন চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বিরোধী দল অভিযোগ করেছে, সংসদের বিশেষ কমিটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি হওয়া অধ্যাদেশ নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছিল, কিন্তু সরকার তা মানেনি। বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল হুবহু পাসের সুপারিশ থাকার পরও অধিবেশনে ৮ ধারায় তিনটি সংশোধনী এনে তা সংশোধিত আকারে পাস করা হয়।

এ প্রক্রিয়াকে ‘দিনদুপুরে রাজনৈতিক জোচ্চুরি’ ও ‘প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণের মহোৎসব’ বলে অভিহিত করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। নাহিদ ইসলাম বলেন, মাননীয় স্পিকার, আপনি জানেন অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি করা হয়েছিল।

সেখানে ৯৮টি অধ্যাদেশ সম্পর্কে আমরা ঐকমত্য পোষণ করেছিলাম যে, সেগুলো ‘অ্যাজ ইট ইজ’ (যেভাবে আছে) সংসদে বিল আকারে আসবে এবং পাস হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিলটিও সেই তালিকার অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু আজ বিলটি উত্থাপনের মাত্র আধা ঘণ্টা আগে একটি সংশোধনী দেওয়া হলো। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক সমঝোতা ও কনসেনসাস ভঙ্গ করা হলো।

তিনি আরো বলেন, সরকারি দল চাইলে যে কোনো বিল পাস করতে পারে, তাদের সেই মেজরিটি আছে। কিন্তু এই বিশেষ কমিটি করার তবে প্রয়োজন কী ছিল? যদি আমাদের কথা বলার সুযোগই না দেওয়া হয়, তবে এই সংসদ আর জনস্বার্থ রক্ষা করবে কিভাবে? দিনদুপুরে একটা ছলচাতুরী ও জোচ্চুরির মাধ্যমে এই বিলের সংশোধনী পাস করে নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৯:২২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
৫৬ বার পড়া হয়েছে

সংসদ অধিবেশন থেকে ফের ওয়াকআউট বিরোধী দলের

আপডেট সময় ০৯:২২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

 

বিশেষ কমিটির সুপারিশের পরও জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিলে সংশোধনী আনার অভিযোগ ‍তুলে সংসদ অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট। তারা বিশেষ কমিটির ‘সমঝোতা ভঙ্গ’ ও ‘স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে’ প্রশ্ন তুলে বেরিয়ে যান।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে অধিবেশন চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বিরোধী দল অভিযোগ করেছে, সংসদের বিশেষ কমিটি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি হওয়া অধ্যাদেশ নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছিল, কিন্তু সরকার তা মানেনি। বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল হুবহু পাসের সুপারিশ থাকার পরও অধিবেশনে ৮ ধারায় তিনটি সংশোধনী এনে তা সংশোধিত আকারে পাস করা হয়।

এ প্রক্রিয়াকে ‘দিনদুপুরে রাজনৈতিক জোচ্চুরি’ ও ‘প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণের মহোৎসব’ বলে অভিহিত করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। নাহিদ ইসলাম বলেন, মাননীয় স্পিকার, আপনি জানেন অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো নিয়ে একটি বিশেষ কমিটি করা হয়েছিল।

সেখানে ৯৮টি অধ্যাদেশ সম্পর্কে আমরা ঐকমত্য পোষণ করেছিলাম যে, সেগুলো ‘অ্যাজ ইট ইজ’ (যেভাবে আছে) সংসদে বিল আকারে আসবে এবং পাস হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিলটিও সেই তালিকার অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু আজ বিলটি উত্থাপনের মাত্র আধা ঘণ্টা আগে একটি সংশোধনী দেওয়া হলো। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক সমঝোতা ও কনসেনসাস ভঙ্গ করা হলো।

তিনি আরো বলেন, সরকারি দল চাইলে যে কোনো বিল পাস করতে পারে, তাদের সেই মেজরিটি আছে। কিন্তু এই বিশেষ কমিটি করার তবে প্রয়োজন কী ছিল? যদি আমাদের কথা বলার সুযোগই না দেওয়া হয়, তবে এই সংসদ আর জনস্বার্থ রক্ষা করবে কিভাবে? দিনদুপুরে একটা ছলচাতুরী ও জোচ্চুরির মাধ্যমে এই বিলের সংশোধনী পাস করে নেওয়া হয়েছে।