ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
সহকারী হাই কমিশনারের সঙ্গে বাংলা প্রেসক্লাব বার্মিংহাম মিডল্যান্ডসের মতবিনিময় সৌদি আরবে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে প্রবাসী কর্মীদের জন্য কর্মঘন্টা ইংল্যান্ডের ‘কারি ক্যাপিটাল’ লেস্টার: টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয় কোনো ধর্মই অন্যায় বা খারাপ কাজকে সমর্থন করে না: গয়েশ্বর চন্দ্র আ. লীগের তৎপরতা ঠেকাতে ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও ফুটবলাররা দারুণ খেলা উপহার দিয়েছে: ইরানি কোচ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন মার্কিন জনপ্রিয় অভিনেতা এস্পোসিতো সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার

‘একটি বিশেষ দলকে নির্বাচনী সুযোগ-সুবিধা দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে প্রশাসন’

নিজস্ব সংবাদ :

 

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের লাঙল প্রতীকের প্রার্থী জি এম কাদের বলেছেন, সরকার একটি বিশেষ দলকে নির্বাচনী সুযোগ-সুবিধা দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। যার ফলে এখন পর্যন্ত নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি। বরং জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের ভোটের মাঠে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নির্বাক ভূমিকা পালন করছে।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর নগরীর স্কাইভিউ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে হলে সব রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ দিতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে—একটি বিশেষ দলকে সুবিধা দিতে গিয়ে অন্য দলগুলোকে পরিকল্পিতভাবে চাপে রাখা হচ্ছে। এ অবস্থায় নির্বাচন কখনোই জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হবে না।

গণভোট প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, একটি পক্ষ থেকে জনগণের ওপর ‘হ্যাঁ ভোট’ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকারি ক্ষমতা, প্রশাসনিক প্রভাব এবং নানামুখী ভয়ভীতি ব্যবহার করে মানুষকে ‘হ্যাঁ’ ভোটে বাধ্য করার চেষ্টা চলছে।

জি এম কাদের বলেন, “এই গণভোট সংবিধানসম্মত নয়। যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট পাস করানো হয়, তাহলে সংসদ আর সার্বভৌম ও স্বাধীন থাকবে না।

সংসদ পরিণত হবে একটি নির্দিষ্ট শক্তির আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে। তাই দেশ ও গণতন্ত্র বাঁচাতে জাতীয় পার্টি না ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।”
তিনি আরো বলেন, “দেশ বাঁচানোর জন্য যেকোনো মূল্যে ‘না’ ভোটকে পাস করাতে হবে। দেশের স্বার্থে ‘হ্যাঁ’ ভোট বয়কট করে জনগণকে ‘না’ ভোট দিতে হবে। এটি কোনো দলীয় বিষয় নয়, এটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্ন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান দাবি করেন, এবারের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির পক্ষে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এক ধরনের অদ্ভুতপূর্ব সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। মাঠের বাস্তবতা বলছে—মানুষ বিকল্প শক্তি হিসেবে জাতীয় পার্টির দিকেই তাকিয়ে আছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৬:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
৯৫ বার পড়া হয়েছে

‘একটি বিশেষ দলকে নির্বাচনী সুযোগ-সুবিধা দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে প্রশাসন’

আপডেট সময় ০৬:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

 

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের লাঙল প্রতীকের প্রার্থী জি এম কাদের বলেছেন, সরকার একটি বিশেষ দলকে নির্বাচনী সুযোগ-সুবিধা দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। যার ফলে এখন পর্যন্ত নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি। বরং জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের ভোটের মাঠে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নির্বাক ভূমিকা পালন করছে।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর নগরীর স্কাইভিউ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে হলে সব রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ দিতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে—একটি বিশেষ দলকে সুবিধা দিতে গিয়ে অন্য দলগুলোকে পরিকল্পিতভাবে চাপে রাখা হচ্ছে। এ অবস্থায় নির্বাচন কখনোই জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হবে না।

গণভোট প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, একটি পক্ষ থেকে জনগণের ওপর ‘হ্যাঁ ভোট’ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকারি ক্ষমতা, প্রশাসনিক প্রভাব এবং নানামুখী ভয়ভীতি ব্যবহার করে মানুষকে ‘হ্যাঁ’ ভোটে বাধ্য করার চেষ্টা চলছে।

জি এম কাদের বলেন, “এই গণভোট সংবিধানসম্মত নয়। যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট পাস করানো হয়, তাহলে সংসদ আর সার্বভৌম ও স্বাধীন থাকবে না।

সংসদ পরিণত হবে একটি নির্দিষ্ট শক্তির আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে। তাই দেশ ও গণতন্ত্র বাঁচাতে জাতীয় পার্টি না ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।”
তিনি আরো বলেন, “দেশ বাঁচানোর জন্য যেকোনো মূল্যে ‘না’ ভোটকে পাস করাতে হবে। দেশের স্বার্থে ‘হ্যাঁ’ ভোট বয়কট করে জনগণকে ‘না’ ভোট দিতে হবে। এটি কোনো দলীয় বিষয় নয়, এটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্ন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান দাবি করেন, এবারের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির পক্ষে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এক ধরনের অদ্ভুতপূর্ব সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। মাঠের বাস্তবতা বলছে—মানুষ বিকল্প শক্তি হিসেবে জাতীয় পার্টির দিকেই তাকিয়ে আছে।