ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
এক্সে জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ তদন্তে ডিবি কিছু কিছু প্রার্থী ভোট চান না, শুধু আমার বিরুদ্ধে কথা বলছেন: মির্জা আব্বাস জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ আরো ১৯ জনকে বহিষ্কার কোনো মার্কাকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল যুবকদের অংশগ্রহণে সেনাবাহিনীর রিজার্ভ ফোর্স দ্বিগুণ করা হবে: আসিফ মাহমুদ ‘আমেরিকা-ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠকে জামায়াত ইনসাফ বাস্তবায়ন করতে চায়’ ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার পরিবর্তে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনবে ভারত: ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি

‘একটি বিশেষ দলকে নির্বাচনী সুযোগ-সুবিধা দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে প্রশাসন’

নিজস্ব সংবাদ :

 

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের লাঙল প্রতীকের প্রার্থী জি এম কাদের বলেছেন, সরকার একটি বিশেষ দলকে নির্বাচনী সুযোগ-সুবিধা দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। যার ফলে এখন পর্যন্ত নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি। বরং জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের ভোটের মাঠে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নির্বাক ভূমিকা পালন করছে।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর নগরীর স্কাইভিউ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে হলে সব রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ দিতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে—একটি বিশেষ দলকে সুবিধা দিতে গিয়ে অন্য দলগুলোকে পরিকল্পিতভাবে চাপে রাখা হচ্ছে। এ অবস্থায় নির্বাচন কখনোই জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হবে না।

গণভোট প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, একটি পক্ষ থেকে জনগণের ওপর ‘হ্যাঁ ভোট’ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকারি ক্ষমতা, প্রশাসনিক প্রভাব এবং নানামুখী ভয়ভীতি ব্যবহার করে মানুষকে ‘হ্যাঁ’ ভোটে বাধ্য করার চেষ্টা চলছে।

জি এম কাদের বলেন, “এই গণভোট সংবিধানসম্মত নয়। যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট পাস করানো হয়, তাহলে সংসদ আর সার্বভৌম ও স্বাধীন থাকবে না।

সংসদ পরিণত হবে একটি নির্দিষ্ট শক্তির আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে। তাই দেশ ও গণতন্ত্র বাঁচাতে জাতীয় পার্টি না ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।”
তিনি আরো বলেন, “দেশ বাঁচানোর জন্য যেকোনো মূল্যে ‘না’ ভোটকে পাস করাতে হবে। দেশের স্বার্থে ‘হ্যাঁ’ ভোট বয়কট করে জনগণকে ‘না’ ভোট দিতে হবে। এটি কোনো দলীয় বিষয় নয়, এটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্ন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান দাবি করেন, এবারের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির পক্ষে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এক ধরনের অদ্ভুতপূর্ব সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। মাঠের বাস্তবতা বলছে—মানুষ বিকল্প শক্তি হিসেবে জাতীয় পার্টির দিকেই তাকিয়ে আছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৬:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
২৪ বার পড়া হয়েছে

‘একটি বিশেষ দলকে নির্বাচনী সুযোগ-সুবিধা দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে প্রশাসন’

আপডেট সময় ০৬:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

 

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের লাঙল প্রতীকের প্রার্থী জি এম কাদের বলেছেন, সরকার একটি বিশেষ দলকে নির্বাচনী সুযোগ-সুবিধা দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। যার ফলে এখন পর্যন্ত নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি। বরং জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের ভোটের মাঠে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নির্বাক ভূমিকা পালন করছে।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর নগরীর স্কাইভিউ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে হলে সব রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ দিতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে—একটি বিশেষ দলকে সুবিধা দিতে গিয়ে অন্য দলগুলোকে পরিকল্পিতভাবে চাপে রাখা হচ্ছে। এ অবস্থায় নির্বাচন কখনোই জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হবে না।

গণভোট প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, একটি পক্ষ থেকে জনগণের ওপর ‘হ্যাঁ ভোট’ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। সরকারি ক্ষমতা, প্রশাসনিক প্রভাব এবং নানামুখী ভয়ভীতি ব্যবহার করে মানুষকে ‘হ্যাঁ’ ভোটে বাধ্য করার চেষ্টা চলছে।

জি এম কাদের বলেন, “এই গণভোট সংবিধানসম্মত নয়। যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট পাস করানো হয়, তাহলে সংসদ আর সার্বভৌম ও স্বাধীন থাকবে না।

সংসদ পরিণত হবে একটি নির্দিষ্ট শক্তির আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে। তাই দেশ ও গণতন্ত্র বাঁচাতে জাতীয় পার্টি না ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।”
তিনি আরো বলেন, “দেশ বাঁচানোর জন্য যেকোনো মূল্যে ‘না’ ভোটকে পাস করাতে হবে। দেশের স্বার্থে ‘হ্যাঁ’ ভোট বয়কট করে জনগণকে ‘না’ ভোট দিতে হবে। এটি কোনো দলীয় বিষয় নয়, এটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্ন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান দাবি করেন, এবারের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির পক্ষে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এক ধরনের অদ্ভুতপূর্ব সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। মাঠের বাস্তবতা বলছে—মানুষ বিকল্প শক্তি হিসেবে জাতীয় পার্টির দিকেই তাকিয়ে আছে।