ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
এক্সে জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ তদন্তে ডিবি কিছু কিছু প্রার্থী ভোট চান না, শুধু আমার বিরুদ্ধে কথা বলছেন: মির্জা আব্বাস জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ আরো ১৯ জনকে বহিষ্কার কোনো মার্কাকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল যুবকদের অংশগ্রহণে সেনাবাহিনীর রিজার্ভ ফোর্স দ্বিগুণ করা হবে: আসিফ মাহমুদ ‘আমেরিকা-ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠকে জামায়াত ইনসাফ বাস্তবায়ন করতে চায়’ ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার পরিবর্তে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনবে ভারত: ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি

ষড়যন্ত্র রুখে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব সংবাদ :

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশকে পেছনে নেওয়ার জন্য নানা চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে। এসব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশ আয়োজিত শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, একটি সুন্দর, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যবসায়ীসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পতাকা ধারণ করেই বেগম খালেদা জিয়া দেশকে এগিয়ে নিয়েছিলেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপিকে ভয়াবহ নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। হাজার হাজার নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছেন, অনেকে গুমের শিকার হয়েছেন। প্রায় ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। শুধু বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধেই দায়ের করা হয়েছিল ৪৭টি মামলা, যেগুলোর অনেকগুলোরই কোনো আইনি ভিত্তি ছিল না।

বিচার বিভাগের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে বিএনপির মহাসচিব বলেন, মিথ্যা মামলায় কারাবন্দি অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়াকে যে কক্ষে রাখা হয়েছিল, সেখানে দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ত, ইঁদুর দৌড়াত। প্রথমে পাঁচ বছরের সাজা দেওয়া হলেও উচ্চ আদালতে তা বাড়িয়ে দশ বছর করা হয়। কারাবন্দি হওয়ার সময় তিনি হেঁটে আদালতে গিয়েছিলেন, কিন্তু দুই বছর পর জামিনে মুক্তি পেয়ে ফিরেছিলেন হুইলচেয়ারে।

মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সবার আইকন। লাখো মানুষ কষ্ট স্বীকার করে তার জানাজায় অংশ নেন। তার প্রতি মানুষের ভালোবাসা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছে। তিনি শুধু বিএনপির নন, পুরো দেশের নেত্রী ছিলেন এবং কখনো সংকীর্ণতার রাজনীতি করেননি।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায়ও বেগম খালেদা জিয়া প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের পথে না গিয়ে ঐক্যের মাধ্যমে দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১০:৪৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
২৪ বার পড়া হয়েছে

ষড়যন্ত্র রুখে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ১০:৪৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশকে পেছনে নেওয়ার জন্য নানা চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে। এসব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশ আয়োজিত শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, একটি সুন্দর, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যবসায়ীসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পতাকা ধারণ করেই বেগম খালেদা জিয়া দেশকে এগিয়ে নিয়েছিলেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপিকে ভয়াবহ নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। হাজার হাজার নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছেন, অনেকে গুমের শিকার হয়েছেন। প্রায় ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। শুধু বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধেই দায়ের করা হয়েছিল ৪৭টি মামলা, যেগুলোর অনেকগুলোরই কোনো আইনি ভিত্তি ছিল না।

বিচার বিভাগের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে বিএনপির মহাসচিব বলেন, মিথ্যা মামলায় কারাবন্দি অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়াকে যে কক্ষে রাখা হয়েছিল, সেখানে দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ত, ইঁদুর দৌড়াত। প্রথমে পাঁচ বছরের সাজা দেওয়া হলেও উচ্চ আদালতে তা বাড়িয়ে দশ বছর করা হয়। কারাবন্দি হওয়ার সময় তিনি হেঁটে আদালতে গিয়েছিলেন, কিন্তু দুই বছর পর জামিনে মুক্তি পেয়ে ফিরেছিলেন হুইলচেয়ারে।

মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন সবার আইকন। লাখো মানুষ কষ্ট স্বীকার করে তার জানাজায় অংশ নেন। তার প্রতি মানুষের ভালোবাসা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছে। তিনি শুধু বিএনপির নন, পুরো দেশের নেত্রী ছিলেন এবং কখনো সংকীর্ণতার রাজনীতি করেননি।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায়ও বেগম খালেদা জিয়া প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের পথে না গিয়ে ঐক্যের মাধ্যমে দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।