ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা রাজধানীর সব ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের আরো বাড়ল এলপিজির দাম জ্বালানি উপদেষ্টার ফোন নম্বর হ্যাকড একটি দল নারীদের মর্যাদা দিতে চায় না: সালাহউদ্দিন আহমদ ‘১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ৯১ শতাংশ ঘটনায় বিএনপি সম্পৃক্ত’ দুর্নীতিবাজদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের যারা নারীদের অসম্মান করে, তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়: তারেক রহমান এক্সে জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ তদন্তে ডিবি কিছু কিছু প্রার্থী ভোট চান না, শুধু আমার বিরুদ্ধে কথা বলছেন: মির্জা আব্বাস

নিরপরাধ হয়েই দেশে ফিরছেন তারেক রহমান

নিজস্ব সংবাদ :

লাখ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না হওয়ায় নিজেকে মামলামুক্ত করতে আইনি পথই বেছে নিয়েছিলেন বিএনপির চেয়াপ্যারসন তারেক রহমান। দেশের কোনো আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা না থাকায় প্রায় ১৮ বছর নির্বাসিত জীবন শেষে নিরপরাধ ব্যক্তি হিসেবেই দেশে ফিরছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। যদিও এর নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘ আইনি লড়াই ও রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস।

রিমান্ড, নির্যাতন, ৫৫৪ দিন বা ১৮ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জামিন নিয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে লন্ডনে যান তারেক রহমান। লন্ডনে যাওয়ার পরও তার ওপর থামেনি মামলার খড়গ। সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ১৩টি এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ৭২টি মামলা হয়। এর মধ্যে অন্তত ৫টি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদ সাজা দেয়া হয় তাকে। এমনকি গণমাধ্যমেও তার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞাও দেয়া হয় আদালতের মাধ্যমে।

গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর একে একে সব মামলা থেকে খালাস পান তারেক রহমান। বিএনপির আইনজীবীরা বলছেন, নির্বাহী আদেশে মামলা থেকে মুক্ত করার প্রস্তাব দেয়া হয় অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু সেটি গ্রহণ না করে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মামলামুক্ত হন তারেক রহমান।

দলটির আইনজীবীরা আরও জানান, তারেক রহমান নিরপরাধ ব্যক্তি হিসেবেই দেশে ফিরছেন। যদিও এর নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘ আইনি লড়াই ও রাজনৈতিক সংগ্রাম।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, মামলাগুলো প্রত্যাহারের ব্যাপারে সরকারও তাকে (তারেক রহমান) প্রস্তাব দিয়েছিল। তার একজন অন্যতম আইনজীবী হিসেবে আমাকে তিনি নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে, সরকার মামলা প্রত্যাহার করতে চাইলেও বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মামলা প্রত্যাহারের পরে সবশেষ নামটা যেন তার থাকে। আইন, আদালত ও সংবিধানের প্রতি তার যে শ্রদ্ধা, সেটা বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। তিনি চাইলেই মামলা প্রত্যাহারের প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারতেন। কিন্তু সেটা তিনি করেননি। তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় প্রতিটি মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন।

‘তারেক রহমান সম্পূর্ণ নিরপরাধ মানুষ হিসেবে দেশে প্রত্যাবর্তন করবেন। জাতি তার জন্য অপেক্ষা করছে। জাতীয় স্বার্থে তিনি প্রত্যাবর্তন করছেন’, যোগ করেন এই আইনজীবী।

আরেক আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, তিনি (তারেক রহমান) যখন বাংলাদেশ ত্যাগ করেছিলেন, তখন তার অবস্থাটা কী ছিল, সেটা একটু চিন্তা করলেই বোঝা যায়। তার হাত-পা ভেঙে দেয়া হয়েছিল। তার মেরুদণ্ডের হাড় পর্যন্ত ভেঙে দেয়া হয়েছিল। সেই সময় চিকিৎসার জন্য তার বিদেশে যাওয়া ছাড়া আর কোনও পথ ছিল না। বিদেশেও তিনি আইনগতভাবেই গিয়েছিলেন, পালিয়ে যাননি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০২:৩০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
৫৭ বার পড়া হয়েছে

নিরপরাধ হয়েই দেশে ফিরছেন তারেক রহমান

আপডেট সময় ০২:৩০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

লাখ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না হওয়ায় নিজেকে মামলামুক্ত করতে আইনি পথই বেছে নিয়েছিলেন বিএনপির চেয়াপ্যারসন তারেক রহমান। দেশের কোনো আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা না থাকায় প্রায় ১৮ বছর নির্বাসিত জীবন শেষে নিরপরাধ ব্যক্তি হিসেবেই দেশে ফিরছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। যদিও এর নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘ আইনি লড়াই ও রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস।

রিমান্ড, নির্যাতন, ৫৫৪ দিন বা ১৮ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জামিন নিয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে লন্ডনে যান তারেক রহমান। লন্ডনে যাওয়ার পরও তার ওপর থামেনি মামলার খড়গ। সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ১৩টি এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ৭২টি মামলা হয়। এর মধ্যে অন্তত ৫টি মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদ সাজা দেয়া হয় তাকে। এমনকি গণমাধ্যমেও তার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞাও দেয়া হয় আদালতের মাধ্যমে।

গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর একে একে সব মামলা থেকে খালাস পান তারেক রহমান। বিএনপির আইনজীবীরা বলছেন, নির্বাহী আদেশে মামলা থেকে মুক্ত করার প্রস্তাব দেয়া হয় অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু সেটি গ্রহণ না করে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মামলামুক্ত হন তারেক রহমান।

দলটির আইনজীবীরা আরও জানান, তারেক রহমান নিরপরাধ ব্যক্তি হিসেবেই দেশে ফিরছেন। যদিও এর নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘ আইনি লড়াই ও রাজনৈতিক সংগ্রাম।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, মামলাগুলো প্রত্যাহারের ব্যাপারে সরকারও তাকে (তারেক রহমান) প্রস্তাব দিয়েছিল। তার একজন অন্যতম আইনজীবী হিসেবে আমাকে তিনি নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে, সরকার মামলা প্রত্যাহার করতে চাইলেও বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মামলা প্রত্যাহারের পরে সবশেষ নামটা যেন তার থাকে। আইন, আদালত ও সংবিধানের প্রতি তার যে শ্রদ্ধা, সেটা বাংলাদেশে দৃষ্টান্ত। তিনি চাইলেই মামলা প্রত্যাহারের প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারতেন। কিন্তু সেটা তিনি করেননি। তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় প্রতিটি মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন।

‘তারেক রহমান সম্পূর্ণ নিরপরাধ মানুষ হিসেবে দেশে প্রত্যাবর্তন করবেন। জাতি তার জন্য অপেক্ষা করছে। জাতীয় স্বার্থে তিনি প্রত্যাবর্তন করছেন’, যোগ করেন এই আইনজীবী।

আরেক আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, তিনি (তারেক রহমান) যখন বাংলাদেশ ত্যাগ করেছিলেন, তখন তার অবস্থাটা কী ছিল, সেটা একটু চিন্তা করলেই বোঝা যায়। তার হাত-পা ভেঙে দেয়া হয়েছিল। তার মেরুদণ্ডের হাড় পর্যন্ত ভেঙে দেয়া হয়েছিল। সেই সময় চিকিৎসার জন্য তার বিদেশে যাওয়া ছাড়া আর কোনও পথ ছিল না। বিদেশেও তিনি আইনগতভাবেই গিয়েছিলেন, পালিয়ে যাননি।