ঢাকা ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
এক্সে জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ তদন্তে ডিবি কিছু কিছু প্রার্থী ভোট চান না, শুধু আমার বিরুদ্ধে কথা বলছেন: মির্জা আব্বাস জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ আরো ১৯ জনকে বহিষ্কার কোনো মার্কাকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল যুবকদের অংশগ্রহণে সেনাবাহিনীর রিজার্ভ ফোর্স দ্বিগুণ করা হবে: আসিফ মাহমুদ ‘আমেরিকা-ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠকে জামায়াত ইনসাফ বাস্তবায়ন করতে চায়’ ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার পরিবর্তে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনবে ভারত: ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি

পাঁচ বছরের স্বাস্থ্য সহায়তা চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও নাইজেরিয়া

নিজস্ব সংবাদ :

পাঁচ বছরের স্বাস্থ্য সহায়তা চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও নাইজেরিয়া

নাইজেরিয়ার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে দেশটির সঙ্গে পাঁচ বছরের একটি স্বাস্থ্য সহযোগিতা চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) করা এই চুক্তিতে খ্রিস্টান ধর্মভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, এই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র নাইজেরিয়াকে প্রায় ২.১ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেবে। এই অর্থ এইচআইভি, যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া ও পোলিও প্রতিরোধ, পাশাপাশি মা ও শিশুর স্বাস্থ্য উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।

আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল দেশ নাইজেরিয়া একই সময়ে তাদের জাতীয় স্বাস্থ্য খাতে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত খরচ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্র ও কেনিয়ার মধ্যে সম্প্রতি হওয়া ২.৫ বিলিয়ন ডলারের স্বাস্থ্য সহায়তা চুক্তির পর আরেকটি বড় চুক্তি। ইউএসএআইডি বন্ধ করার পর এটিই ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম বড় দ্বিপাক্ষিক স্বাস্থ্য চুক্তি।

চুক্তিতে খ্রিস্টানধর্ম ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।

নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানদের নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের মধ্যেই এই ঘোষণা এসেছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, খ্রিস্টানদের ওপর হামলা চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্র নাইজেরিয়ায় সামরিক পদক্ষেপ নিতেও প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন, নাইজেরিয়া ও কিছু দেশে খ্রিস্টধর্ম বড় ধরনের হুমকির মুখে রয়েছে।
নাইজেরিয়ার দক্ষিণ অংশে খ্রিস্টানদের সংখ্যা বেশি এবং উত্তর অংশে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। দেশটির সরকার দাবি করে, তারা ধর্মীয় নিপীড়ন সমর্থন করে না এবং নিরাপত্তা সমস্যা মূলত ধর্মীয় কারণে নয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ১২:১১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
৫৫ বার পড়া হয়েছে

পাঁচ বছরের স্বাস্থ্য সহায়তা চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও নাইজেরিয়া

আপডেট সময় ১২:১১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

নাইজেরিয়ার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে দেশটির সঙ্গে পাঁচ বছরের একটি স্বাস্থ্য সহযোগিতা চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) করা এই চুক্তিতে খ্রিস্টান ধর্মভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, এই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র নাইজেরিয়াকে প্রায় ২.১ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেবে। এই অর্থ এইচআইভি, যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া ও পোলিও প্রতিরোধ, পাশাপাশি মা ও শিশুর স্বাস্থ্য উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।

আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল দেশ নাইজেরিয়া একই সময়ে তাদের জাতীয় স্বাস্থ্য খাতে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত খরচ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এই চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্র ও কেনিয়ার মধ্যে সম্প্রতি হওয়া ২.৫ বিলিয়ন ডলারের স্বাস্থ্য সহায়তা চুক্তির পর আরেকটি বড় চুক্তি। ইউএসএআইডি বন্ধ করার পর এটিই ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম বড় দ্বিপাক্ষিক স্বাস্থ্য চুক্তি।

চুক্তিতে খ্রিস্টানধর্ম ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।

নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানদের নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের মধ্যেই এই ঘোষণা এসেছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, খ্রিস্টানদের ওপর হামলা চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্র নাইজেরিয়ায় সামরিক পদক্ষেপ নিতেও প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন, নাইজেরিয়া ও কিছু দেশে খ্রিস্টধর্ম বড় ধরনের হুমকির মুখে রয়েছে।
নাইজেরিয়ার দক্ষিণ অংশে খ্রিস্টানদের সংখ্যা বেশি এবং উত্তর অংশে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। দেশটির সরকার দাবি করে, তারা ধর্মীয় নিপীড়ন সমর্থন করে না এবং নিরাপত্তা সমস্যা মূলত ধর্মীয় কারণে নয়।