ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
News Title :
এক্সে জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অভিযোগ তদন্তে ডিবি কিছু কিছু প্রার্থী ভোট চান না, শুধু আমার বিরুদ্ধে কথা বলছেন: মির্জা আব্বাস জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ আরো ১৯ জনকে বহিষ্কার কোনো মার্কাকে ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল যুবকদের অংশগ্রহণে সেনাবাহিনীর রিজার্ভ ফোর্স দ্বিগুণ করা হবে: আসিফ মাহমুদ ‘আমেরিকা-ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠকে জামায়াত ইনসাফ বাস্তবায়ন করতে চায়’ ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার পরিবর্তে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনবে ভারত: ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি

ড. ইউনূসকেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ দিতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

নিজস্ব সংবাদ :

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ ড. ইউনূসকেই দিতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

বরিশালে জাতীয় নাগরিক পাটির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, গণভোটের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদেশ জারি করতে হবে এবং সেটা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেই দিতে হবে। এখন এই আদেশ যদি চুপ্পুর কাছ থেকে নিতে হয় তাহলে তা হবে বিপ্লবের কফিনের শেষ পেরেক।

রোববার (০২ নভেম্বর) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা ও মহানগরের সমন্বয় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, যিনি হেড অফিস ফ্যাসিজম— তার কাছ থেকে যদি অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি নিতে হয় এর থেকে আর লজ্জার কিছুই নেই।

‎তিনশ আসনেই সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এনসিপি কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, ‎আমরা পলিসি ফর্ম করছি, ৩০০ আসনেই যাতে আমাদের সাংগঠনিক বিস্তার ও নির্বাচনকে সামনে রেখে সুসংগত হতে পারি।

‎অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, এনসিপি কার দিকে যাচ্ছে সেটা মুখ্য নয়, সংস্কারের পক্ষে কারা আসছে এটাই মুখ্য। আমাদের অবস্থান মৌলিক ও সুস্পষ্ট।

ভোলার ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনাগুলো শুরু হয়েছে, এর আরও পুনরাবৃত্তি ঘটবে। এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, স্থায়ীভাবে যাতে বন্ধ হয়। আমরা যেন গুণগত, কাঠামোগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যেতে পারি। আমাদের যে আসন্ন নির্বাচন, যাতে অবাধ, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ হয় এর দায়িত্ব হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলোর।

‎তিনি বলেন, ‎জনগণ যাকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় নিয়ে আসবে সে-ই বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনা করবে। এতে আমাদের ভিন্ন মত নেই। এ জন্যই আমরা চাই নির্বাচনে যাতে কারও প্রভাব না থাকে।

‎তিনি বলেন, ‎নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের কোনো রূপরেখা নেই। প্রতীক দেওয়ার ক্ষেত্রে লিগ্যাল একটি নিয়ম থাকা উচিত। আমরা সংশয় প্রকাশ করি নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী আচরণের। শাপলা কেন দেবে না সেই ব্যাখ্যা তারা দেয়নি। নির্বাচন যদি সুষ্ঠু নাও হয়, আবার যদি ব্যালট বক্সে চুরির ঘটনা ঘটে সে সময় যদি তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়, তখন তারা এটিরই পুনরাবৃত্তি করবে যে, ব্যাখ্যা দিতে পারব না। এটি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের লড়াই ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৮:৪৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
৮৭ বার পড়া হয়েছে

ড. ইউনূসকেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ দিতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

আপডেট সময় ০৮:৪৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

বরিশালে জাতীয় নাগরিক পাটির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, গণভোটের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদেশ জারি করতে হবে এবং সেটা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেই দিতে হবে। এখন এই আদেশ যদি চুপ্পুর কাছ থেকে নিতে হয় তাহলে তা হবে বিপ্লবের কফিনের শেষ পেরেক।

রোববার (০২ নভেম্বর) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা ও মহানগরের সমন্বয় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, যিনি হেড অফিস ফ্যাসিজম— তার কাছ থেকে যদি অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি নিতে হয় এর থেকে আর লজ্জার কিছুই নেই।

‎তিনশ আসনেই সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এনসিপি কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, ‎আমরা পলিসি ফর্ম করছি, ৩০০ আসনেই যাতে আমাদের সাংগঠনিক বিস্তার ও নির্বাচনকে সামনে রেখে সুসংগত হতে পারি।

‎অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, এনসিপি কার দিকে যাচ্ছে সেটা মুখ্য নয়, সংস্কারের পক্ষে কারা আসছে এটাই মুখ্য। আমাদের অবস্থান মৌলিক ও সুস্পষ্ট।

ভোলার ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনাগুলো শুরু হয়েছে, এর আরও পুনরাবৃত্তি ঘটবে। এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, স্থায়ীভাবে যাতে বন্ধ হয়। আমরা যেন গুণগত, কাঠামোগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যেতে পারি। আমাদের যে আসন্ন নির্বাচন, যাতে অবাধ, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ হয় এর দায়িত্ব হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলোর।

‎তিনি বলেন, ‎জনগণ যাকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় নিয়ে আসবে সে-ই বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনা করবে। এতে আমাদের ভিন্ন মত নেই। এ জন্যই আমরা চাই নির্বাচনে যাতে কারও প্রভাব না থাকে।

‎তিনি বলেন, ‎নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের কোনো রূপরেখা নেই। প্রতীক দেওয়ার ক্ষেত্রে লিগ্যাল একটি নিয়ম থাকা উচিত। আমরা সংশয় প্রকাশ করি নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী আচরণের। শাপলা কেন দেবে না সেই ব্যাখ্যা তারা দেয়নি। নির্বাচন যদি সুষ্ঠু নাও হয়, আবার যদি ব্যালট বক্সে চুরির ঘটনা ঘটে সে সময় যদি তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়, তখন তারা এটিরই পুনরাবৃত্তি করবে যে, ব্যাখ্যা দিতে পারব না। এটি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের লড়াই ছিল।