ঢাকা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
সুনামগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩ বসতঘর ভস্মীভূত মাত্র ১৫ মিনিটে বিয়ে করেছিরেন ক্যানসার আক্রান্ত হিনা খান জামায়াত রাজপথকে উত্তপ্ত করছে, আগুন দিচ্ছে আওয়ামী লীগ: রাশেদ খাঁন সিলেটে ডেঙ্গুর উদ্বেগজনক বিস্তার: অক্টোবরেই আক্রান্ত ৪৬৭ চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক আটক মানিক পশারির দাফনে বাধা, জড়িতদের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী আন্দোলনের নামে যারা সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফের ২২৩ টাকা বাড়ল ১২ কেজি এলপিজির দাম বৃটেনের নিউপোর্টে কেল্টিক ট্রাইগার্স স্পোর্টস ক্লাবের ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

আমাদের হত‍্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা: আসিফ মাহমুদ

নিজস্ব সংবাদ :

515

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘ডিবি হেফাজতে থাকাকালীন আন্দোলন বন্ধের ঘোষণা না দিলে আমাদের হত‍্যার নির্দেশ ছিল। শেখ হাসিনা সরাসরি এ নির্দেশ দিয়েছিলেন।’

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘চানখাঁরপুলে চায়নিজ রাইফেল, শটগান ও ছররা গুলি দিয়ে ছয়জন আন্দোলনকারীকে হত্যা করে পুলিশ ও এপিবিএনের সদস্যরা। তিনি বলেন, ‘চানখাঁরপুলে আমার সামনেই দুজন পুলিশের গুলিতে শহিদ হন।’

জুলাই হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি হাবিবুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতাদের ও গুলি করা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের দায়ী করেন উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘ডিবি হেফাজতে থাকাকালে আন্দোলন বন্ধের ঘোষণা না দিলে আমাদের হত‍্যার নির্দেশ ছিল। শেখ হাসিনা সরাসরি এ নির্দেশ দিয়েছিলেন।

৩২ ঘণ্টা অনশনে থাকার পর সমন্বয়কদের ডিবি অফিস থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’ আগামী ১৬ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বাকি সাক্ষ্য দেবেন আসিফ মাহমুদ।

এ মামলায় গত ১৪ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়।

মামলার বাকি আসামিরা হলেন সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ্ আলম মো. আখতারুল ইসলাম, রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন হোসেন, ইমাজ হোসেন ও মো. নাসিরুল ইসলাম।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৬:০৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
২৪৫ বার পড়া হয়েছে

আমাদের হত‍্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা: আসিফ মাহমুদ

আপডেট সময় ০৬:০৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘ডিবি হেফাজতে থাকাকালীন আন্দোলন বন্ধের ঘোষণা না দিলে আমাদের হত‍্যার নির্দেশ ছিল। শেখ হাসিনা সরাসরি এ নির্দেশ দিয়েছিলেন।’

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘চানখাঁরপুলে চায়নিজ রাইফেল, শটগান ও ছররা গুলি দিয়ে ছয়জন আন্দোলনকারীকে হত্যা করে পুলিশ ও এপিবিএনের সদস্যরা। তিনি বলেন, ‘চানখাঁরপুলে আমার সামনেই দুজন পুলিশের গুলিতে শহিদ হন।’

জুলাই হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি হাবিবুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতাদের ও গুলি করা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের দায়ী করেন উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ‘ডিবি হেফাজতে থাকাকালে আন্দোলন বন্ধের ঘোষণা না দিলে আমাদের হত‍্যার নির্দেশ ছিল। শেখ হাসিনা সরাসরি এ নির্দেশ দিয়েছিলেন।

৩২ ঘণ্টা অনশনে থাকার পর সমন্বয়কদের ডিবি অফিস থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’ আগামী ১৬ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বাকি সাক্ষ্য দেবেন আসিফ মাহমুদ।

এ মামলায় গত ১৪ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়।

মামলার বাকি আসামিরা হলেন সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ্ আলম মো. আখতারুল ইসলাম, রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ ইমরুল, শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন হোসেন, ইমাজ হোসেন ও মো. নাসিরুল ইসলাম।