ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সংসদে বিল উত্থাপন মৃত্যুর এক বছর পরও শেষকৃত্য হয়নি জাম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের পর্তুগালের শুরুর একাদশে রোনালদো, গোলখরা কি কাটবে? সিন্ধু নদের পানি নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি পাকিস্তানের ‘আওয়ামী লীগের নাশকতার পরিকল্পনা আমরা ভেস্তে দিয়েছি’ ন্যাটো মিত্রদের ট্রাম্প: তারা আমাদের সাহায্য করছে না, আমরাও করব না সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা: দুঃখ প্রকাশ করল জামায়াত আর্জেন্টিনার নকআউট ম্যাচের ভেন্যু ও সময়সূচী চূড়ান্ত সহকারী হাই কমিশনারের সঙ্গে বাংলা প্রেসক্লাব বার্মিংহাম মিডল্যান্ডসের মতবিনিময় সৌদি আরবে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে প্রবাসী কর্মীদের জন্য কর্মঘন্টা

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ল, জুন থেকেই কার্যকর

নিজস্ব সংবাদ :

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ল, জুন থেকেই কার্যকর

 

দেশে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়ে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

একই সঙ্গে বিদ্যুতের সঞ্চালন (ট্রান্সমিশন) চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আজ বুধবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন। চলতি জুন থেকেই নতুন দর কার্যকর।

নতুন ট্যারিফ অনুযায়ী গ্রাহক পর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণির বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য ভিন্ন হারে দাম বাড়ানো হয়েছে।

এর মধ্যে লাইফলাইন গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১৫ শতাংশ এবং অন্যান্য শ্রেণিতে সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের গড় দাম ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যুতের পাইকারি মূল্যহার ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধি এবং খাতটির আর্থিক চাপ মোকাবেলায় এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

তবে নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের বিদ্যুৎ ব্যয় বাড়বে, যা সামগ্রিকভাবে জীবনযাত্রার ব্যয় ও উৎপাদন খরচে প্রভাব ফেলতে পারে।

গত ২০ ও ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিইআরসির গণশুনানিতে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। বিপিডিবি ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং
নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব করে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তুহিন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
আপডেট সময় ০৫:০৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
৩৫ বার পড়া হয়েছে

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ল, জুন থেকেই কার্যকর

আপডেট সময় ০৫:০৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

 

দেশে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়ে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

একই সঙ্গে বিদ্যুতের সঞ্চালন (ট্রান্সমিশন) চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আজ বুধবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন। চলতি জুন থেকেই নতুন দর কার্যকর।

নতুন ট্যারিফ অনুযায়ী গ্রাহক পর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণির বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য ভিন্ন হারে দাম বাড়ানো হয়েছে।

এর মধ্যে লাইফলাইন গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১৫ শতাংশ এবং অন্যান্য শ্রেণিতে সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের গড় দাম ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যুতের পাইকারি মূল্যহার ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় বৃদ্ধি এবং খাতটির আর্থিক চাপ মোকাবেলায় এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

তবে নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের বিদ্যুৎ ব্যয় বাড়বে, যা সামগ্রিকভাবে জীবনযাত্রার ব্যয় ও উৎপাদন খরচে প্রভাব ফেলতে পারে।

গত ২০ ও ২১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিইআরসির গণশুনানিতে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। বিপিডিবি ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং
নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব করে।